অর্থ সংকটে গাজায় খাদ্য সহায়তা কমাচ্ছে ডব্লিউসিকে

ছবি: রয়টার্স

মানবিক সহায়তা সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন’ (ডব্লিউসিকে) জানিয়েছে, অর্থ সংকটের কারণে আগামী কয়েক মাসে তারা গাজায় খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম কমিয়ে আনবে। সংস্থাটি বলছে, দীর্ঘ সময় ধরে গাজার বিপুলসংখ্যক মানুষের খাদ্যের চাহিদা একা কোনো একটি সংস্থার পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়।

এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, তারা ধীরে ধীরে যুদ্ধবিরতির আগের সময়ে যেভাবে খাবার বিতরণ করা হতো—সেই পর্যায়ে ফিরে যাচ্ছে। অর্থাৎ আগের তুলনায় কম পরিসরে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

তবে সংস্থাটি স্পষ্ট করে বলেছে, এই সিদ্ধান্তের অর্থ এই নয় যে গাজায় মানুষের প্রয়োজন কমে গেছে। বরং শুধুমাত্র আর্থিক চাপের কারণেই তারা কার্যক্রম সীমিত করতে বাধ্য হচ্ছে।

ডব্লিউসিকে জানায়, ২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তারা সেখানে খাদ্য সহায়তায় ৫০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেছে।

সংস্থাটি আরো জানায়, ইসরায়েলের অবরোধের কারণে গাজায় খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর তারা জরুরি ভিত্তিতে কার্যক্রম বাড়িয়েছিল। সেই সময় প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ গরম খাবার বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

তাদের ভাষ্য, এত বড় পরিসরে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ চালিয়ে যাওয়া কোনো একক বেসরকারি সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলের অবরোধের কারণে তৈরি হওয়া মানবিক সংকট কিছুটা কমলেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। সেখানে এখনো খাবার, ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট রয়েছে। অনেক পরিবার নিয়মিত খাবার পাচ্ছে না বলেও বিভিন্ন সহায়তা সংস্থা জানিয়েছে।
 

LEAVE A REPLY