ছবি : এপি
হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়ান্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। ব্যাটিং বিপর্যয়ে কোনো রকম শতক পার করে ১১০ রানের মামুলি লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিকরা।জবাবে মারকুটে মিচেল মার্শের ঝোড়ো অর্ধশতকে উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৯ রান তোলে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট ও ৫৪ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া।
মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যাটিংয়ে নেমে মিচেল মার্শের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ারপ্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রান করে অজিরা।নবম ওভারে মার্শকে সাজঘরে পাঠান পেসার শরিফুল ইসলাম। ততক্ষণে মার্শের ২৮ বলে ৬০ রানের ঝোড়ো ইনিংস অজিদের জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়।
দলীয় স্কোর ২ উইকেটে ৮৮ রান। তারপর ১৩ বলে ১৫ রানে কনোলি সাজঘরে ফিরলেও জয় থেকে ১০ রান দূরে অজিরা।
১১তম ওভারে ব্যাট করতে নেমে পরপর দুই বলে দুই ছয় মেরে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যায় টিম ডেভিড। ৭ উইকেটের বড় জয়ে টি টোয়েন্টি সিরিজে স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করল অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের হয়ে ১টি করে উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১১ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারায় স্বাগতিকরা। অদ্ভুত রান আউটে কাটা পড়েছেন তানজিদ হাসান তামিম।
সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন করেছেন হতাশ। দুজনেই অজি বোলারদের সামনে বেশ ভুগেছেন। ৯ বলে ১ রান করেছেন সাইফ, আর ইমন ১ রান করতে খেলেছেন ১৩ বল। নুরুল হাসান সোহান ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী তেমন কিছুই করতে পারেননি। ৮ বলে ৬ রান করেছেন সোহান। আর ৫ বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি শামীম।
তবে বাংলাদেশকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দিয়েছেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। প্রথমে রিশাদ হোসেনকে নিয়ে লড়াই করেছেন তিনি। ১৪ বলে ১৬ রান করে রিশাদ ফেরার পর শরীফুল ইসলাম দিয়েছেন তাকে সঙ্গ। শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ৬১ রানে অপরাজিত ছিলেন হৃদয়।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন স্পেন্সার জনসন, নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা।










































