দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি লিভারপুল। ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ভিয়ারিয়ালকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা।রোমাঞ্চকর এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রাখল অলরেডরা।
গত রাতে অ্যানফিল্ডে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় স্প্যানিশ ক্লাব ভিয়ারিয়াল। চতুর্থ মিনিটে লিভারপুল অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকের ভুলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন জর্জেস মিকাউতাদজে। ৩০ মিনিটের মাথায় নাথান সালিবার পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সার্গি কার্ডোনা।তবে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে আন্দোনি ইরাওলার দল।
বিরতির আগেই দুর্দান্তভাবে খেলায় সমতা ফেরায় লিভারপুল। কোস্টাস সিমিকাসের কর্নার থেকে হেডে প্রথম গোল শোধ করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। এরপর ১৮ বছর বয়সী তরুণ উইঙ্গার রিও এনগুমোহার চমৎকার ক্রসে গোল করে অলরেডদের ২-২ সমতায় ফেরান রোনাল্ড আরাউহো।
বিরতির পর আক্রমণ আরো জোরদার করে স্বাগতিকরা। ৬৫ মিনিটে তরুণ এনগুমোহার নিখুঁত নিচু ক্রস থেকে জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে লিভারপুলকে এগিয়ে নেন ম্যাক অ্যালিস্টার। এর ঠিক তিন মিনিট পর কোডি গাকপোর বাড়িয়ে দেওয়া বল জালে জড়িয়ে স্কোরলাইন ৪-২ করেন বদলি হিসেবে নামা ফ্লোরিয়ান ভির্টজ।
ম্যাচের শেষ দিকে আয়োজে পেরেজের পাস থেকে তানি ওলুওয়াসেয়ি একটি গোল পরিশোধ করে ভিয়ারিয়ালকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানের স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল।
এই জয়ে তিন ম্যাচে ৩টি জয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানের কারণে শীর্ষে থাকা প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) ঠিক নিচেই অবস্থান করছে লিভারপুল। অন্যদিকে সমান ৩ ম্যাচে ভিয়ারিয়ালের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট।









































