জয় তখন সুতোয় ঝুলছিল। কখনো জয়ের হাতছানি, কখনো হতাশার ছায়া।আনফিল্ডে টাইব্রেকারের লড়াই যেন শেষ হতে চাইছিল না। অবশেষে ওয়েসলি ফোফানার শট উড়ে গেল গ্যালারিতে। আর তাতেই উল্লাসে মাতল লিভারপুল। বিপরীত দৃশ্য তখন চেলসির ডাগআউটে।
গতকাল ইংলিশ লিগ কাপের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে শেষ হয়। তাতে টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে ৬-৫ ব্যবধানে জিতেছে লিভারপুল। এই জয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে অলরেডরা।
অ্যানফিল্ডে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা চলে। তবে গোলের দেখা পেতে দু দলকে অপেক্ষা করতে হয় প্রথমার্ধের শেষ পর্যন্ত। শুরুতে এগিয়ে যায় চেলসি। ৩৮ মিনিটে মোইজেস কাইসেদোকে পেছন থেকে ফাউল করেন রায়ান গ্রাভেনবার্খ। তাতে পেনাল্টি পায় চেলসি।৪০ মিনিটে সফল স্পটকিক নেন মরগান রজার্স।
তবে লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি চেলসি। লিভারপুলের নেওয়া কর্নারে ফোফানার হাতে বল লাগালে পেনাল্টির বাঁশি বাজায় রেফারি। ৪৩ মিনিটে স্পটকিক থেকে সমতা ফেরান কোডি গাকপো। পরে আর কোনো গোল না হলে টাইব্রেকারে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়।
টাইব্রেকারে প্রথম তিন শটে গোলের দেখা পায় লিভারপুল-চেলসির খেলোয়াড়রা। তবে অলরেডদের চতুর্থ শটের বিপরীতে গোল করতে ব্যর্থ হন চেলসির ভ্যালেন্টিন বার্কো। তার বাঁ পায়ের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। লিভারপুলের এগিয়ে থাকার আনন্দ অবশ্য ফিরতি শটেই মিইয়ে যায়।
পঞ্চম শটে কনস্টান্টিনোস সিমিকাস গোল দিতে পারলে জয় নিশ্চিত ছিল লিভারপুলের। কিন্তু বাঁ পায়ের শটটি নিলেন বারের ওপর দিয়ে। তাতে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় চেলসি। জর্ডান রবার্টসন গোল করে ব্লুজদের সমতায়ও ফেরান।
ষষ্ঠ শটে দুই দলের খেলোয়াড়ই গোলের দেখা পান। তবে সপ্তম শটে লিভারপুলের রায়ান গ্র্যাভেনবার্গের শট চেলসির গোলরক্ষক ঠেকালে দলকে জয় এনে দেওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন এমানুয়েল এমেঘা। কিন্তু তার শট ঠেকিয়ে লিভারপুলকে ম্যাচে রাখেন দলটির গোলরক্ষক। অষ্টম শটে জোসেফ গোমেজ গোল করলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। সমতা করতে হলে গোল দিতে হতো ফোফানাকে। কিন্তু বারের ওপর দিয়ে বলকে পাঠালেন গ্যালারিতে। তাতে পরাজয়ও লেখা হয় স্কোরশিটে।








































