আরিফিন শুভ ও অর্পিতা। ছবি : সংগৃহীত
একসঙ্গে ছিলেন প্রায় সাড়ে ৯ বছর। এবার টানলেন দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি। ঢাকার চলচ্চিত্র অভিনেতা আরিফিন আজ এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন তার সঙ্গে আর তার স্ত্রী অর্পিতার বৈবাহিক সম্পর্ক নেই।
আজ রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে আরিফিন শুভ লেখেন, ‘আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমি আর অর্পিতা আমরা হয়তো বন্ধু হিসেবেই ঠিক আছি, জীবনসঙ্গী হিসেবে নয়।
আমরা গত ২০ জুলাই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি, বন্ধুত্বটুকু নিয়ে দুজনের সম্মতিতে বাকি জীবন নিজেদের মতো করে বাঁচব।’
তবে সাড়ে ৯ বছর আগে বিয়ের সময় দুজনই অঙ্গীকার করেছিলেন একসঙ্গে থাকার। বলেছিলেন আমৃত্যু একে অপরের সঙ্গে কাটাবেন। বিয়ের আগে থেকেই ঢাকায় ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন অর্পিতা সমাদ্দার।
২০১৫ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি বিয়ের আগে বছরখানেক আগে পরিচয় হয়েছিল শুভর সঙ্গে। এরপর বন্ধুত্ব, ভালোলাগা ও ভালোবাসা। সেই সম্পর্কের বছরখানেক না গড়াতেই রূপ দেন বিয়েতে। ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয় শুভ-অর্পিতার।
বিয়ের সময় অর্পিতা বলেছিলেন ‘অনেক দিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’ আর শুভ বলেছিলেন ‘দুজনই চেয়েছিলাম আমাদের সম্পর্কের একটা পরিণতি হোক। অবশ্য একটা ভয়ও ছিল। আমি মুসলিম, অর্পিতা হিন্দু। ভেবেছিলাম পরিবার থেকে একটু ঝামেলা হতে পারে।
কিন্ত সে রকম কিছু ঘটেনি। বরং দুই পরিবারের সিদ্ধান্তেই আমরা বিয়ের পিঁড়িতে বসেছি।’
তখন জানা গিয়েছিল, বিয়ের পর অর্পিতা সমাদ্দার নাম বদলে হয়েছিলেন অর্পিতা আরেফিন। তার কারণ, স্বামীর নামটা তার পছন্দ ছিল। একই সঙ্গে শুভর পছন্দ-অপছন্দকে প্রাধান্য দিতে চেয়েছিলেন অর্পিতা। চেয়েছিলেন স্বামীর পছন্দে চলতে। এমনটাই তখন জানিয়েছিলেন সংবাদমাধ্যমকে।
বলেছিলেন, ‘জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেটা বজায় রাখতে চাই। ওই সময় শুভ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘অনেক সাধনার পরে কোনো ছেলের ভাগ্যে এমন মেয়ে জোটে। আমি যা বলি, ও সেটা মাথা পেতে নেয়। সেই প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের মধ্যে কোনো ঝগড়া হয়নি। ওর মধ্যে এখনো ছেলেমানুষি আছে। আমি সেটাই বেশি উপভোগ করি।’
তবে এখন দুজনের পথ দুদিকে। বলা যায় দুই দেশে। আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে তাদের। শুভ অবশ্য জানিয়েছেন দুজনের বন্ধুত্ব থাকবে।










































