ব্রাজিলিয়ান তরুণের জ্বালানো আলোতে ফাইনালে চেলসি

জোড়া গোল করে চেলসিকে ফাইনালে তোলেন জোয়াও পেদ্রো। ছবি : এএফপি

চেলসির আক্রমণভাগে তারকার কমতি নেই। কিন্তু ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালের ঠিক আগে জোয়াও পেদ্রো হয়তো নিজের নামটা সবার উপরে তুলে এনেছেন। 

৫৫ মিলিয়ন পাউন্ডে ব্রাইটন থেকে মাত্র এক সপ্তাহ আগে চেলসিতে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড পেদ্রো। মার্কিন মালিকদের অধীনে গত দুই বছরে আক্রমণভাগে মোট ১৯ জন খেলোয়াড় কিনেছে চেলসি, যার পেছনে খরচ হয়েছে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন পাউন্ড।

তবে এই বিশাল বিনিয়োগের মাঝেই পেদ্রো যেন নিজের দাম তুলে ধরেছেন মাত্র এক ম্যাচেই।

শনিবার পালমেইরাসের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে বদলি হিসেবে নামার পর মঙ্গলবার সেমিফাইনালে নিজের ছেলেবেলার ক্লাব ফ্লুমিনেন্সের বিপক্ষে প্রথম একাদশে সুযোগ পান। আর সেই ম্যাচেই জোড়া গোল করে জানান দেন নিজের আগমনের বার্তা।

প্রথমার্ধে বক্সের কোনা থেকে দুর্দান্ত এক শটে ৪৪ বছর বয়সী গোলকিপার ফাবিওকে পরাস্ত করেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে আবার এঞ্জো ফার্নান্দেজের থ্রু বল থেকে দারুণ গতিতে ঢুকে জোরালো শটে বল জালে জড়ান।

চেলসি এই জয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে। আর তাতেই ক্লাবটি ২১.৯ মিলিয়ন পাউন্ড পুরস্কার অর্থও পাবে। আর পেদ্রোর গোলেই ইতিমধ্যেই তিনি যেন নিজের ট্রান্সফার ফির এক-তৃতীয়াংশ উসুল করে দিয়েছেন।

চেলসির নতুন কোচ এনজো মারেসকা এই গ্রীষ্মে আরো কিছু তরুণ আক্রমণভাগের খেলোয়াড় এনেছেন– বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে জেমি গিটেনস, ইপ্সউইচের লিয়াম ডেলাপ, এবং পালমেইরাস থেকে ব্রাজিলিয়ান কিশোর এস্তেভাও। কিন্তু তার মাঝে পেদ্রোর প্রভাব যেন সবার থেকে আলাদা।

ব্রাইটনের হয়ে ৭০ ম্যাচে ৩০ গোল করা এই ফরোয়ার্ড সেমিফাইনালে তিনটি শটের দুটি টার্গেটে নেন এবং দুটিতেই গোল। পেদ্রোর পুরো ম্যাচে মাঠজুড়ে উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো –২৬টি টাচ, যার মধ্যে সাতটি নিজের অর্ধে। সক্রিয় ছিলেন উইং ও মিডফিল্ডেও।

LEAVE A REPLY