সংগৃহীত ছবি
আসন্ন বাজেটে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য মোবাইল সেবায় আরোপিত এক শতাংশ সারচার্জ বাতিল হতে পারে। উদ্বোধনের পর থেকে চার বছর যাবত নেওয়া হচ্ছে এক শতাংশ সারচার্জ।এ ছাড়া গ্রাহককে স্বস্তি দিতে বিদ্যমান সিম কর ৩০০ টাকা থেকে কমানো হচ্ছে।
এদিকে, প্রান্তিক পর্যায়ে সেবা বাড়াতে গ্রাহকের ওপর আরোপিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট শূন্যে নামানোর দাবি জানিয়েছেন ব্রডব্যান্ড সেবাদাতারা।
বর্তমানে দেশে মোবাইলে সেবা দিচ্ছে চারটি অপারেটর ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে আড়াই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান।
মোবাইল অপারেটর সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ বছরে সরকারকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েছে তারা।যেখানে সারচার্জই প্রায় দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকা।
২০২২ সালে চালু হয় পদ্মা সেতু। প্রকল্পের অর্থায়ন থেকে বিশ্বব্যাংক সরে গেলে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণে ২০১৬ সালের মার্চ থেকে মোবাইল সেবায় এক শতাংশ সারচার্জ আরোপ করে সরকার। তবে সেতু চালু হলেও এখনো প্রতি ১০০ টাকায় এক টাকা সারচার্জ দিচ্ছেন সাড়ে ১৮ কোটির বেশি মোবাইল সংযোগধারী।এ ছাড়া সম্পূরক শুল্ক ২৩ শতাংশ; কার্যকরী ভ্যাট দিতে হয় ১৮ শতাংশ।
সব মিলিয়ে ১০০ টাকা রিচার্জে মাত্র ৫৮ টাকা পাচ্ছেন গ্রাহক। এ ছাড়া প্রতিটি সিম কেনা বা রিপ্লেস করতে গুণতে হয় ৩০০ টাকা কর। শুল্কের চাপে কমছে না ভয়েস কল কিংবা ইন্টারনেট খরচ। এ অবস্থায় কলরেট এবং ইন্টারনেট খরচ কমানোর দাবি জানিয়েছেন ব্যবহারকারীরা।
এ ছাড়া চলতি বছরেই বেসরকারি তিন অপারেটরকে ১৬ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা মূল্যের তরঙ্গ নবায়ন করতে হবে বেসরকারি। যেখানে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হবে এক হাজার ২৮৪ কোটি টাকা। এ অবস্থায় তারাও করের বোঝা কমানোর দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, ব্রডব্যান্ড সেবায় পাঁচ শতাংশ হারে ভ্যাট দিচ্ছেন প্রায় দেড় কোটি গ্রাহক। এই ভ্যাটের সঙ্গে রাউটার ও নেটওয়ার্কিং পণ্য আমদানিতে কর হার শুন্যে নামানোর দাবি জানিয়েছেন ব্রডব্যান্ড সেবাদাতারা।
আইএসপিএবি সভাপতি গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারের প্রতি অনুরোধ থাকবে যে প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রাহক এখন যে ৫ শতাংশ ভ্যাপ দিচ্ছে এটা জিরো পারসেন্ট করা যায় কিনা।
অনলাইন ডেস্কপ্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬ ১৮:১৫ | আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬ ১৮:১৯











































