ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হওয়ার পরও জ্বালানি তেলের সংকটে অনিশ্চয়তায় পড়েছে নৌপথে যাত্রী পরিবহণ। পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীবাহী লঞ্চ ও জাহাজ মালিকরা। তাদের দাবি, চাহিদার তুলনায় অন্তত ৬০ শতাংশ তেল সরবরাহ কমে গেছে।
মালিকরা জানান, বুধবার (১৯ মার্চ) সকালের মধ্যে তেল সরবরাহ না পেলে সদরঘাট থেকে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ রিভার ফুয়েল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জিএম সরোয়ার সাংবাদিকদের বলেন, সরকার রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেওয়ার কথা বললেও বাস্তবে এখনো পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, তেল সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে বুধবার সকাল থেকে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তিনি দ্রুত সংকট নিরসনে মেঘনা পেট্রোলিয়াম, যমুনা পেট্রোলিয়ামসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সহসভাপতি কামাল হোসেন বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তেল সরবরাহ না হলে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। এতে যাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
সরেজমিনে ঢাকা নদী বন্দর ঘুরে দেখা গেছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে অন্তত ৬০ থেকে ৬৫টি যাত্রীবাহী জাহাজ ছেড়ে গেছে। তবে যাত্রীচাপ তুলনামূলক কম থাকায় অনেকেই স্বস্তিতে ঈদযাত্রা করতে পেরেছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন,দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে ঈদের আগে নৌপথে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।











































