শিবিরের নেতাকর্মীদের হলে ওঠার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বকশীবাজারে সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ায় প্রবেশ পথে ব্যারিকেড দিয়েছে পুলিশ। শনিবার বকশীবাজার রোডে এ ব্যারিকেড দেওয়া হয়। এতে ওই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এদিকে, দুপুরের পর আলিয়া মাদ্রাসার পাশ ঘেঁষা সড়ক থেকে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সিটিটিসির বোম ডিস্পোজাল ইউনিট সেটিকে নিষ্ক্রিয় করে। জানা যায়, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সম্মিলিতভাবে মাদ্রাসার আবাসিক হলে ওঠার ঘোষণা দেয় ‘বৈধ সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের নেতারা’। শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওই ঘোষণা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, ‘সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের হলে উঠতে বাধা দেওয়া হলেও হলকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ, মোটরসাইকেল, নগদ অর্থ, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী, অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেট ও পাসপোর্টসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুটপাটের হাত থেকে রক্ষা করতে পুলিশ ও মাদ্রাসা প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছেন। ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী হলে অবস্থান করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের কক্ষ ভাঙচুর ও লুটপাটের সুযোগ পাচ্ছেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি যেন তৈরি না হয়, সেজন্য হলের সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেয়। দুপুর ১টার পরে তারা সেখান থেকে সরে যান। এ প্রসঙ্গে চকবাজার থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অস্থিতিশীল পরিবেশ যেন তৈরি না হয়, সে জন্য সতর্কতার জন্য বকশীবাজার মোড়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়।
পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, কালো স্কচটেপে মোড়ানো একটি বস্তু রাস্তায় পড়ে থাকতে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে কাউন্টার টেরোরিজমের (সিটিটিসি) বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখতে পান, সেটি তেমন কিছুই নয়।











































