সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রে হত্যার দায়ে ইনজেকশন দিয়ে আরেক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে চলতি বছরে মোটি ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে দেশটি।
মার্কিন সংবাদ মাধ্যম এবিসি নিউজ বলছে, ফ্লোরিডা স্টেট প্রিজন (স্টার্কের কাছে) তিনটি ইনজেকশন দিয়ে ৪৭ বছর বয়সী রিচার্ড নাইটের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
নাইটের বিরুদ্ধে ২০০২ সালের জুন মাসে ওডেসিয়া স্টিফেনস এবং তাদের কন্যা হ্যানেসিয়া মালিংসকে হত্যার অভিযোগে প্রথম-ডিগ্রি খুনের দণ্ড দেওয়া হয়েছিল। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় তার ডেথ চেম্বারে হাত প্রসারিত অবস্থায় বাঁধা ছিল এবং শরীরে আইভি লাইন সংযুক্ত ছিল।
ওষুধ প্রয়োগের পর তিনি চোখ বন্ধ করে স্থির থাকেন এবং প্রায় ১০ মিনিট পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এটি চলতি বছরে ফ্লোরিডায় সপ্তম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০০০ সালে রিচার্ড নাইট ফোর্ট লডারডেলের কাছে কোরাল স্প্রিংসে তার চাচাতো ভাই, তার বান্ধবী ও তাদের চার বছরের কন্যার সঙ্গে থাকতেন। সেখানে থাকা নিয়ে প্রায়ই তার চাচাতো ভাইয়ের প্রেমিকা ওডেসিয়া স্টিফেনসের সঙ্গে তার তর্ক-বিতর্ক হতো।
ঘটনার দিন, নাইটের চাচাতো ভাই কাজে থাকাকালীন স্টিফেনস তাকে পরের দিন বাসা ছেড়ে যেতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাইট স্টিফেনসকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন এবং পরে ওই শিশুটিকেও আক্রমণ করেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালে রাজ্যটিতে মোট ১৯টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা ঘটেছে। এই সংখ্যাটি ১৯৭৬ সালে মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহালের পর থেকে এক বছরে সর্বোচ্চ।
রাজ্যটির রিপাবলিকান গভর্নর রন ডিসান্টিসের আমলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।এর আগে এক বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের রেকর্ড ছিল ২০১৪ সালে আটটি। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
ফ্লোরিডার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাধারণত তিনটি ওষুধের মাধ্যমে প্রাণঘাতী ইনজেকশন পদ্ধতিতে কার্যকর করা হয় মৃত্যুদণ্ড। যার মধ্যে একটি ঘুমের ওষুধ, একটি পক্ষাঘাত সৃষ্টিকারী ওষুধ এবং আরেকটি ওষুধ ব্যবহৃত হয় হৃদ্যন্ত্র বন্ধ করে দেওয়ার জন্য।











































