যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও শেয়ারবাজার চালু রাখার প্রস্তুতিতে ইরান

ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। এতদিন বাজারে যে জরুরি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু ছিল, এখন সেখান থেকে আরো নিয়ন্ত্রিত ও স্বাভাবিক পরিবেশে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে—বলেছেন মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি বিশ্লেষক মোহাম্মাদ রেজা ফারজানেগান।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রায় তিন মাস শেয়ারবাজার বন্ধ থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনেক প্রশ্ন ও উদ্বেগ জমে আছে। ফলে বাজার আবার চালু হওয়ার পর বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।

তার মতে, ইরানে প্রায় ৫ কোটি মানুষের কোনো না কোনোভাবে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ লাখ মানুষ নিয়মিত শেয়ার কেনাবেচা করেন।এ ছাড়া প্রায় ১৫ লাখ বিনিয়োগকারী সক্রিয়ভাবে বাজারে লেনদেন করে থাকেন।

তিনি আরো বলেন, অনেক দিন ধরেই বাজার চালু হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। কারণ বর্তমানে দেশটিতে নগদ অর্থের সংকট ও আর্থিক চাপ অনেক বেড়ে গেছে। মানুষের দৈনন্দিন খরচ মেটাতে টাকার প্রয়োজন হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে। ফলে অনেক মানুষ প্রয়োজন মেটাতে তাদের শেয়ার বিক্রি করতে পারেন। এতে বাজারে বিক্রির চাপ আরো বাড়তে পারে।

মোহাম্মাদ রেজা ফারজানেগান আরো বলেন, কিছু বিনিয়োগকারী তাদের অর্থ অন্য খাতে সরিয়ে নিতে চাইতে পারেন। বিশেষ করে স্বর্ণ বাজার, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিনিয়োগ এবং আবাসন খাতের মতো জায়গায় আগ্রহ বাড়তে পারে।কারণ এসব খাতকে বর্তমানে তুলনামূলক বেশি লাভজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY