২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের থিম সং ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গেয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন শাকিরা। ১৬ বছর পর আরেক বিশ্বকাপের থিম সং ‘দাই দাই’ গাইলেন কলম্বিয়ান পপতারকা। সব মিলিয়ে অবশ্য এটি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাকিরার চতুর্থ পারফরম্যান্স। এবার অবশ্য একা নন, তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয়। ‘ওয়াকা ওয়াকা’র মানে ছিল, এবার সময় আফ্রিকার। ‘দাই দাই’ শব্দযুগল ইতালীয়। এর অর্থ, ‘এসো। নিজের সর্বোচ্চটা দাও’।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ ঘোমটা খুলেছে শাকিরার বিশ্ব মাতানো ‘দাই দাই’ গান দিয়ে। মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামের মঞ্চে ঝড় তোলার আগে শাকিরা ইনস্টাগ্রামে নিজের সদ্য প্রকাশিত অ্যালবামের গানের কথা তুলে ধরেন। গানের কথা এরকম-‘তুমি সহসা স্পর্শ করতে যাচ্ছো তোমার মহিমা’।
এবারের তিন আয়োজক দেশ মেক্সিকো, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আলাদা আলাদা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হচ্ছে। ৪৮ দল নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই বিশ্বকাপের বল প্রথম গড়াল বৃহস্পতিবার রাতে মেক্সিকো সিটিতে। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অন্যতম আয়োজক দেশ মেক্সিকো মুখোমুখি হওয়ার আগে পারফর্ম করে গ্র্যামিজয়ী জনপ্রিয় মেক্সিকান পপ ব্যান্ড মানা। পাশাপাশি গান গাইলেন মেক্সিকান সংগীতশিল্পী আলেয়ান্দ্রো ফার্নান্দেজ এবং বেলিন্ডা। মেক্সিকান সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয় এই অনুষ্ঠানে।
অন্যদিকে, টরন্টোতে গ্রুপপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ কানাডার সামনে বসনিয়া। অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কানাডিয়ান তারকা অ্যালনিস মরিসেট, মাইকেল বুবলে, অ্যালেসিয়া ক্যারা ও উইলিয়াম প্রিন্স। ফিফা জানিয়েছে, টরন্টোর অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপ ট্রফিকে মোজেইক নকশায় নতুনভাবে উপস্থাপন করা হবে, যা কানাডার বৈচিত্র্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হিসাবে তুলে ধরা হবে। কানাডার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করবেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়। নৃত্যে থাকবেন বলিউডের নোরা ফাতেহি।
লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল ৭টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি হবে প্যারাগুয়ের। সেই ম্যাচের আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ থাকবেন মার্কিন সংগীতশিল্পী কেটি পেরি। পারফর্ম করবেন জনপ্রিয় র্যাপার ফিউচার। যুক্তরাষ্ট্রের অনুষ্ঠান নিয়ে ফিফা জানিয়েছে, এটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে বিশ্বকাপের ব্যাপ্তি, লক্ষ্য ও সাংস্কৃতিক প্রভাবকে জমকালোভাবে তুলে ধরা যায়। একাধিক দেশে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজনের এটি দ্বিতীয় নজির। এর আগে ২০০২ সালে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। সেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ায়।








































