পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার নতুন রাজনৈতিক সংকটে পড়েছে। শরিক দল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সঙ্গে নীতিগত দূরত্ব, নতুন প্রদেশ গঠনের প্রস্তাব নিয়ে বিরোধ এবং বিরোধী দলগুলোর যৌথ মোর্চা গঠনের তৎপরতা সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি করেছে।
পিপিপি প্রধান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি সরকারের আইন ও নীতিগত সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন, বিশেষ করে নতুন প্রদেশ তৈরির প্রস্তাব নিয়ে দুই দলের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে।
বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বলেছেন, দলের অভিযোগগুলির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত কোনও আইন পাসে তার দল সমর্থন দেবে না। ফলে ক্ষমতাসীন জোটের ভেতরে রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে।
সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিকে সাম্প্রতিক কাশ্মীর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া পরিস্থিতিতে আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক আবহ।নির্বাচনে অনিয়ম ও যোগসাজশের অভিযোগ তুলে পিপিপি জানিয়েছে, তারা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ফলাফলের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানাবে।
এদিকে জোট শরিকদের চাপের মুখে আরেক বিপদের নাম ইমরান খান। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে জেলে রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
তার আইনজীবীরা দাবি করেছিলেন, কারাগারে ইমরান খানের স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে।ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে।
এরপরই গত মঙ্গলবার এক আদেশে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়, যেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়োগে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সেই মতো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পিটিআই নেতাকে। যদিও চিকিৎসকদের মত নিয়ে তাকে ফের জেলে ফেরাত পাঠানো হয়। তবে গোটা ইস্যুতে চাপ বহুগুণ বেড়েছে শাহবাজের উপরে।










































