এসিসির সভায় বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। ছবি: এসিসি
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত সভায় তামিমকে এসিসির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এশিয়ার ক্রিকেটের উন্নয়ন, নতুন ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর সুযোগ বাড়ানো এবং খেলাটির দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে কাজ করবে এসিসির এই কমিটি।
সভায় এসিসির প্রশাসন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সব সদস্য দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সভায় সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের সহসভাপতি খালিদ আল জারুনি সর্বসম্মতিক্রমে সংস্থাটির নতুন সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য এসিসির নির্বাহী বোর্ডেও নতুন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। টেস্ট না খেলা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে কাতার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ আবদুলআজিজ বিন সৌদ আল থানি ও সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহমুদ গাজনাভি নির্বাচিত হয়েছেন।
সহযোগী সদস্যদের মধ্যে মালদ্বীপের মোহাম্মদ ফয়সাল ও বাহরাইনের মোহাম্মদ মনসুর নির্বাচিত হয়েছেন। তারা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন।
সভায় বড় সিদ্ধান্ত এসেছে এসিসির সভাপতির পদ নিয়েও। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (এসিবি) সভাপতি হওয়ার সুযোগ থাকা পূর্ণ সদস্য বোর্ডগুলোর তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এত দিন বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে ঘুরে-ফিরে এসিসির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হতো।
এ ছাড়া প্রশাসন, ক্রিকেট উন্নয়ন, প্রতিযোগিতা, অর্থসহ বিভিন্ন বিষয়ে এসিসির একাধিক কমিটি গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব কমিটির বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এসিসির বর্তমান সভাপতি মহসিন নাকভি বলেছেন, ‘এশিয়ায় ক্রিকেট সব সময়ই একটি খেলার চেয়ে বেশি কিছু। এটি একটি অভিন্ন ভাষা, যা দেশ, সংস্কৃতি ও প্রজন্মকে যুক্ত করে। এই বার্ষিক সাধারণ সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো আমাদের প্রশাসনের পরিপক্বতা এবং এমন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সম্মিলিত সংকল্পের প্রতিফলন, যা আমরা এই পদগুলো ছেড়ে যাওয়ার পরও খেলাটির সেবা করে যাবে।’










































