ইমরান খানের ‘ঘাঁটিতে’ জরুরি শাসন, সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে আহত ৫

রয়টার্স ছবি

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) ‘শক্ত ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত খাইবার পাখতুনখোয়া। এ প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি, প্রাদেশিক সরকার স্থগিত করে গভর্নরের শাসন জারি এবং সেনা মোতায়েনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরো তীব্র হয়েছে।এসবের প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, টিটিপি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে স্থানীয় সরকার ব্যর্থ হয়েছে—এমন অভিযোগে প্রদেশটিতে জরুরি অবস্থা ও গভর্নর শাসন জারি করা হয়। এর প্রতিবাদেই শুরু হয় বিক্ষোভ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন।

সন্ত্রাসীদের সমর্থক ও সহানুভূতিশীলদের নিয়ে সমালোচনা করে তারেক আলী নামের এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, তারা (সরকার) সব সময়ই সন্ত্রাসীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। তার মতে, সংবিধান কাউকে জনগণের মতামত উপেক্ষা করার অনুমতি দেয় না। চার কোটি মানুষের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে না শুনে কিভাবে শাসন করা সম্ভব—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত এক সপ্তাহ ধরে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে খাইবার পাখতুনখোয়ায় মিছিল, সমাবেশ ও পদযাত্রা করেছেন তার হাজার হাজার সমর্থক। প্রদেশটিতে পিটিআই প্রায় ১৩ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা জারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পর্যবেক্ষকেরা।

সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আরিফা নূরও সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জরুরি অবস্থা জারির সরাসরি যোগসূত্র দেখতে পাচ্ছেন না। তাঁর মতে, বিরোধী দলের নেতৃত্বাধীন সরকারকে মেনে নিতে অনীহাও এ সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।

LEAVE A REPLY