সংগৃহীত ছবি
বর্তমান বিশ্বের সেরা মিডফিল্ডার পেদ্রি নাকি ভিতিনিয়া তা নিয়ে বহু বিতর্ক আছে ফুটবল বিশ্লেষক ও ভক্তদের মাঝে। গতকাল রাতের ব্যালন ডি’অর তালিকায় ভিতিনিয়া সেরা তিনে থাকলেও পেদ্রি ছিলেন না ১০ এর মধ্যে। তবে এক মৌসুমের ফল থেকে কে সেরা সে প্রশ্নের আসলে কোনো উত্তর পাওয়া যায় না। তারপরও ভিতিনিয়া এই মৌসুমে যে মিডফিল্ড মায়েস্ট্রোর পারফরম্যান্স দিয়েছেন তা অবাক করার মতোই।
প্যারিসের মাঠে নীরব এক শিল্পী তিনি। অবিরাম দৌড়, ক্ষুরধার বুদ্ধিমত্তা আর বিনয়ী ব্যক্তিত্ব দিয়ে দলে এনে দিয়েছেন নতুন মাত্রা। লুইস এনরিকের হাত ধরে পিএসজির মধ্যমাঠে যেন এক নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছেন ভিতিনিয়া। ভিতিনিয়াই পিএসজির ঐতিহাসিক ট্রেবল জয়ের মূল স্থপতিদের একজন।
২০২২ সালের গ্রীষ্মে ৪০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে পোর্তো থেকে ভিতিনিয়াকে দলে টেনেছিল পিএসজি। দায়িত্বটা সহজ নয়—মার্কো ভেরাত্তির শূন্যস্থান পূরণ করা। কিন্তু ভিতিনিয়া শুধু ভেরাত্তির প্রভাবই মেলাননি, সেটিকে ছাপিয়ে গেছেন। বিশেষ করে পিএসজির প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে তার অবদান ছিল অমূল্য।
গত মৌসুমে ৫৯ ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন এই পর্তুগিজ মিডফিল্ডার। গোল করেছেন ৮টি, সহায়তা দিয়েছেন আরো ৫টিতে। সংখ্যার বাইরেও মাঠে তার শৈল্পিক ছন্দ আর কার্যকরী উপস্থিতিই তাকে লুইস এনরিকের দলের অপরিহার্য অংশে পরিণত করেছে। ঘরোয়া প্রতিযোগিতা হোক কিংবা ইউরোপের মঞ্চ—সবখানেই ভিতিনিয়ার পারফরম্যান্স ছিল সোনালি স্বাক্ষর।
জাতীয় দলের জার্সিতেও কম যাননি।
পর্তুগালকে নেশনস লিগের ফাইনালে স্পেনকে হারিয়ে শিরোপা জিততে সাহায্য করেছেন তিনি।
ব্যালন ডি’অরের মুকুট উঠেছে দেম্বেলের মাথায়, লামিনে ইয়ামাল পেয়েছেন দ্বিতীয় স্থান। তবে ভিতিনিয়ার ধারাবাহিকতা, বহুমুখিতা আর নেতৃত্বগুণ মোহাম্মদ সালাহ ও রাফিনিয়াকে পেছনে ফেলে তাকে এনে দিয়েছে সেরা তিনে জায়গা। তাই বা একজন মাঝমাঠের খেলোয়াড়ের জন্য কম কিসে?











































