সংগৃহীত ছবি
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে আলোচনা করবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে হোয়াইট হাউজ।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাতে এ তথ্য জানায় মিডল ইস্ট আই।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে প্রকাশ্যে কোনো আলোচনা পরিচালনা করবে না।
লেভিট বলেন, ‘এগুলো সংবেদনশীল কূটনৈতিক আলোচনা এবং যুক্তরাষ্ট্র গণমাধ্যমের মাধ্যমে আলোচনা করবে না।
’
মুখপাত্র আরো জানান, যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনই সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী থাকবে এবং আমরা কেবল এমন চুক্তিই করব যা প্রথমে আমাদের জনগণের স্বার্থে হবে।
একই সঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেবে না।
এদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পেছনে ওয়াশিংটনের অতিরিক্ত শর্তকে দায়ী করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। খবর বিবিসির।
রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে ইসলামাবাদে মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে আলোচনা শেষ করে ইরানের প্রতিনিধিদল।
আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবি এবং কঠোর অবস্থানের কারণে আলোচনা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়।
তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ফারসি সাক্ষাৎকারে দেখা যায়, সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিয়ে রাশিয়ার মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
তিনি আরো জানান, কোন কোন শর্তসাপেক্ষে আলোচনা অব্যাহত থাকতে পারে সেটি নিয়েও কথা হয়েছে।
এদিকে ইরানের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গেও কথা বলেন আরাগচি।
তিনি বলেন, এই জলপথে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করা একটি বৈশ্বিক ইস্যু।
এ প্রেক্ষাপটে ওমানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আরাগচি আরো উল্লেখ করেন, ইরান ও ওমানের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মিল রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের মধ্যে পরবর্তী আলোচনার বিষয়ে একটি চুক্তিও হয়েছে।










































