রয়টার্স ছবি
কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থততায় এবার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে শান্তিচুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনা অতীতের আলোচনাগুলোর তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক চুক্তি আলোচনায় অভিজ্ঞ সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ ব্রাইজা।
তিনি বলেন, ‘এই আলোচনাকারী দলটি অতীতে আমি যেসব দলে কাজ করেছি, সেগুলোর মতো নয়। সাধারণত আমরা আগে থেকেই বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের একটি শক্তিশালী দল গড়ে তুলতাম।’
পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জটিল একটি বিষয় উল্লেখ করে ব্রাইজা বলেন, ‘মার্কিন দলের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে উচ্চ পর্যায়ের কারিগরি বিশেষজ্ঞের ঘাটতি রয়েছে।তবে এ ক্ষেত্রে ইরানি প্রতিনিধিদলের পরিস্থিতি ভিন্ন। আমার মনে হয় না মার্কিন দলে সেই পর্যায়ের বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। কিন্তু ইরানিদের আছে।
এ ছাড়া পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত খুঁটিনাটি বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যদিও আমরা জানি সেগুলো সম্ভবত দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় আসবে বলে জানান তিনি।
ব্রাইজা মার্কিন আলোচক দলকে ‘খুবই ছোট, সীমিত এবং ঘনিষ্ঠ পরিসরের’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের সময়ে ভাইস প্রেসিডেন্টের মতো কোনো উচ্চপর্যায়ের নেতা সাধারণত তখনই আলোচনায় যুক্ত হতেন, যখন প্রায় সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে আসত।’
কিন্তু আলোচনা চলমান অবস্থায় তাদের অংশগ্রহণ খুবই বিরল। তার মতে, এর কারণ হলো কোনো শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চাইবেন না যে আলোচনা ব্যর্থ হলে তার ওপর দায় বর্তাক।
সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ ব্রাইজা বলেন, ‘সাধারণত এমন নেতারা তখনই যুক্ত হন, যখন চুক্তি প্রায় সম্পন্ন।কারণ আলোচনা যদি মাঝপথে ভেস্তে যায়, তাহলে তার দায় তারা নিতে চান না।’
এদিকে সুইজারল্যান্ডের নিডওয়ালডেনে অবস্থিত বিলাসবহুল পাহাড়ি রিসোর্ট বুর্গেনস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। এই বৈঠকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে কাতার ও পাকিস্তান।










































