বার্সেলোনার একটি দাতব্য ফটোশুটে ২০০৭ সালে মাত্র পাঁচ মাস বয়সী লামিন ইয়ামালকে গোসল করাতে সাহায্য করেছিলেন মহাতারকা লিওনেল মেসি। প্রায় দুই দশক পর সেই ছবিই আবার আলোচনায়।কারণ এবার বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমবারের মতো মাঠে প্রতিপক্ষ হতে যাচ্ছেন তারা।
৩৯ বছর বয়সী মেসির সামনে আর্জেন্টিনার হয়ে আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ। অন্যদিকে ১৯ বছর বয়সী ইয়ামাল স্পেনকে শিরোপা জেতানোর স্বপ্ন দেখছেন। এই ম্যাচের আগে নিউ ইয়র্কে সেই ঐতিহাসিক ছবি নিয়ে কথা বলেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
মেসি বলেন, ‘সত্যি বলতে, ছবিটা একেবারে পাগলামির মতো। তখন ও শিশু ছিল, আমরা একসঙ্গে একটি ছবি তুলেছিলাম। আর আজ আমরা বিশ্বকাপের ফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি। এটাই তো জীবন।’
ইয়ামালকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘লামিন অসাধারণ প্রতিভাবান। আমি ওকে খুব কাছ থেকে অনুসরণ করি, কারণ ও এমন একটি ক্লাবে খেলে, যাকে আমি ভালোবাসি। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ও বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠেছে। ওর সামনে ইতিহাস গড়ার দারুণ সুযোগ রয়েছে। তবে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যেন এবার সেটা ও করতে না পারে।আমি শুধু ওর জন্য শুভ কামনা জানাতে পারি।’
মেসি আরো বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই, এই মুহূর্তে ও বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। ওর সাফল্য কামনা করি, কারণ ওর ভালো হওয়া মানেই বার্সেলোনার ভালো হওয়া। আর সত্যি বলতে, ওই ছবিটা আসলেই অবিশ্বাস্য—জীবন কত অদ্ভুত!’
২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালে ইয়ামালের বাবা মুনির নাসরাউই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিগুলো প্রকাশ করলে তা নতুন করে আলোচনায় আসে।
ছবিগুলোর আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট জানান, ইউনিসেফ ও স্থানীয় সংবাদপত্র দিয়ারিও স্পোর্ট-এর যৌথ উদ্যোগে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য ছবিগুলো তোলা হয়েছিল।










































