ছবি : রযটার্স
কোরীয় উপদ্বীপে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম গরম মোকাবিলায় কুকুরের মাংসের স্যুপ, মুরগির ঝোলসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির নেতা কিম জং উনকে জনগণের সঙ্গে কষ্ট ভাগ করে নেওয়া একজন নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশটিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা আবহাওয়ার রেকর্ড সংরক্ষণ শুরুর পর সর্বোচ্চ। টানা গরম ও রাতেও উচ্চ তাপমাত্রা থাকায় উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যম এ সময়কে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশটিতে বছরের এই সময়কে ‘সামবক’ বা গ্রীষ্মের সবচেয়ে গরম সময় হিসেবে ধরা হয়।
গত ২ আগস্ট প্রকাশিত ক্ষমতাসীন দলের মুখপত্র রোডং সিনমুন-এ পিয়ংইয়ং জেনারেল হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বক্তব্য তুলে ধরা হয়।তিনি তরমুজ, শসা ও মুগ ডালের মতো শরীর ঠান্ডা রাখে এমন খাবারের পাশাপাশি কুকুরের মাংসের স্যুপ, মাছের পায়েস এবং লাল শিমের পায়েসের মতো পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন।
উত্তর কোরিয়ায় প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, কুকুরের মাংসের স্যুপ গ্রীষ্মের তীব্র গরম সহ্য করতে শরীরকে সহায়তা করে। গরমে কীভাবে সুস্থ থাকা যায়, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দেশটির নেতা কিম জং উনকে জনগণের মতোই কঠিন আবহাওয়া সহ্য করা একজন নেতা হিসেবে তুলে ধরছে।
এই সপ্তাহে ক্ষমতাসীন দলের মুখপত্র রোডং সিনমুন ২০১৩ সালের একটি ঘটনা আবার প্রকাশ করেছে।সেখানে বলা হয়, গ্রীষ্মের তীব্র গরমে একটি নির্মাণস্থল পরিদর্শনের সময় কিম জং উনের পোশাক ঘামে ভিজে গিয়েছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক কর্মকর্তা তাকে এমন গরমে সফর না করার পরামর্শ দিলে কিম বলেন, ‘আবহাওয়া যতই গরম হোক, জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ অবশ্যই করতে হবে।’











































