চ্যাম্পিয়নস লিগে জমজমাট এক রাতে ১০ জনের দল নিয়ে খেলেও পিএসজিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। লুইস দিয়াজ প্রথমার্ধে জোড়া গোল করলেও বিরতির আগে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। তবু ভিনসেন্ট কম্পানির দল দুর্দান্ত লড়াই করে টানা ১৬তম জয় তুলে নেয়।
ম্যাচের শুরুতেই পিএসজির রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নেয় বায়ার্ন।
মাত্র চার মিনিটে মাইকেল ওলিজের শট ফিরিয়ে দিলে রিবাউন্ড থেকে গোল করেন দিয়াস। কিছুক্ষণ পর উসমান দেম্বেলের গোল দেম্বেলের করা গোল ভিএআরে অফসাইড ধরা পড়ায় সমতা ফেরানো হয়নি স্বাগতিকদের।
৩২ মিনিটে আবারও আলো ছড়ান দিয়াজ। মারকুইনিয়োসের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল কেড়ে নিয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বায়ার্নের লিড দ্বিগুণ করেন কলম্বিয়ান এই ফরোয়ার্ড।তবে বিরতির আগে অ্যালেক্সান্ডার পাভলোভিচের গোল অফসাইডে বাতিল হওয়ার পর একটি বেপরোয়া ট্যাকলে ভিএআর পর্যালোচনায় সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় দিয়াজকে।
দ্বিতীয়ার্ধে একজন বেশি নিয়ে আক্রমণ জোরদার করে পিএসজি। কয়েকবার হাফ-চান্স পেলেও ৭৪ মিনিটে লি কাং-ইনের ক্রস থেকে দুর্দান্ত ভলিতে ব্যবধান কমান জোয়াও নেভেস। শেষ দিকে নেভেস ও মারকুইনিয়োস দুজনই সমতায় ফেরানোর সুযোগ নষ্ট করলে ম্যাচে ফিরতেই পারেনি পিএসজি।
দিয়াজ চ্যাম্পিয়নস লিগ ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে একই ম্যাচে দুই গোল করে লাল কার্ড দেখার বিরল অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এর আগে এই কীর্তি ছিল শুধু গ্রিয়েজমানের।
এদিকে বায়ার্নের মিডফিল্ডার জশুয়া কিমিখের জন্য দিনটি ছিল বিশেষ, এটি চ্যাম্পিয়নস লিগে তার ১০০তম ম্যাচ। ক্লাবের ইতিহাসে তার আগে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন কেবল থমাস মুলার, ম্যানুয়েল নয়্যার, ফিলিপ লাম ও অলিভার কান।
টানা ১৬ ম্যাচ জয়ের ধারায় থাকা বায়ার্ন এবারের মৌসুমেও নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিল।
অন্যদিকে পিএসজি টানা পাঁচ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের চতুর্থ গ্রুপ ম্যাচেও জয়ের দেখা পেল না।










































