বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী-অভিনেতা তাহসান খান ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। স্বপ্নের মতো শুরু হয় সেই সংসার। অভিনেত্রীর কোল আলো করে আসে মেয়ে আইরা। তারপরই ভাঙন শুরু। মেয়ের বয়স এক বছর পেরোনোর আগেই দূরত্ব বাড়তে থাকে তাহসান-মিথিলার। আলাদা থাকতে শুরু করেন এ তারকা দম্পতি। পরে ২০১৭ সালে ১১ বছরের দাম্পত্যের আইনি বিচ্ছেদ ঘটে এ তারকা দম্পতির।
আচমকা ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি আবার বিয়ে করেন গায়ক তাহসান। পাত্রী মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদ। অল্প সময়েই দুজন দুজনকে পছন্দ করেন। এরপরই একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন তারা। কিন্তু বিয়ের এক বছর পার হতে না হতেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। এরপর বিচ্ছেদের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন এ সংগীতশিল্পী।
এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে গুঞ্জন— গায়ক তাহসান রহমান খানের বিচ্ছেদের খবরে সিলমোহর দেওয়ার পর নামের পাশ থেকে স্বামীর পদবি সরিয়েছেন দ্বিতীয় স্ত্রী রোজা আহমেদ। কিন্তু অনুরাগীদের সবার মনেই একটি প্রশ্ন— কেন ভাঙল সাজানো সংসার? তাহসান বা রোজা— কেউ-ই এ নিয়ে মুখ খোলেননি। তবে শিল্পীর ঘনিষ্ঠমহলের তরফে জানা গেছে, দুজনের মতাদর্শ ও জীবনধারা একেবারে আলাদা। ফলে মতানৈক্য চরমে ওঠে, যার পরিণতি বিচ্ছেদ।
ঠিক কী বলেছেন তাহসান ঘনিষ্ঠরা? দ্বিতীয় বিয়ের পর জমিয়ে সংসার করতে চেয়েছিলেন তাহসান খান। সে কারণেই নাকি গান না গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন সামাজিক মাধ্যম থেকেও। তিনি ভেবেছিলেন ব্যক্তিগতজীবন উপভোগ করবেন। কিন্তু বিধাতার বিধি বড় বোঝা মুশকিল।
এদিকে রোজা আহমেদ তাহসানপত্নী হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তার পরিচিতি বেড়ে যায়। আর তিনি চেয়েছিলেন সেই পরিচিতি উপভোগ করতে। আর ঠিক এখানেই মতানৈক্যের শুরু হয়। ক্রমশ বাড়তে থাকে তাদের দূরত্ব। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এ বিষয়টি যে সমাধানের চেষ্টা হয়নি, তা কিন্তু নয়। একটা সময়ের পর বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত করেন তারা।











































