মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনটা দারুণ কাটল বাংলাদেশের। দিনটা আরো সুন্দর হতো যদি সেঞ্চুরিটা পেতেন মমিনুল হক। বাঁহাতি ব্যাটারের ইনিংসটা যে ৯ রানের আক্ষেপে শেষ হয়েছে।
ইনিংসের ৭৪তম ওভারে নোমান আলীর এক কুইকার বলে থেমে যায় মমিনুলের ইনিংস।
ব্যক্তিগত ৯১ রানে এলবিডব্লিউ হয়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরতে হয় তাকে। বাঁচতে রিভিউ নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার। ১০ চার মারা মমিনুল না পারলেও সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
দলের বিপদের সময় সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন শান্ত।
তৃতীয় উইকেটে মমিনুলের সঙ্গে ১৭০ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দিয়েছেন অধিনায়ক। তার যখন জুটি গড়ার শুরুটা করেন ততক্ষণে ৩১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে টেস্টে ধুঁকছিল বাংলাদেশ।
মিরপুরে আজ টেস্ট ক্যারিয়ারের ৯ম সেঞ্চুরি পেয়েছেন শান্ত। তিন অংকের ঘর স্পর্শ করেছেন দারুণ এক কাভার ড্রাইভে।মোহাম্মদ আব্বাসের করা বলটি বাউন্ডারি লাইন স্পর্শ করতেই চিরচেনা উদযাপনে মাতেন শান্ত। এক হাতে ব্যাট আর অন্য হাতে হেলমেট উঁচিয়ে ধরে শূন্যে লাফ দেন তিনি। আর উদযাপনের শেষটায় থাকে সতীর্থ, কোচিং স্টাফদের উদ্দেশে ব্যাটে এঁকে দেওয়া চুমু।
সেঞ্চুরির ইনিংসটা অবশ্য বড় করতে পারেননি শান্ত। ফিরতি বলেই ১০১ রানে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন তিনি।
তবে ১২ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসে রেকর্ড গড়েছেন বাঁহাতি ব্যাটার। বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে এখন টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি তার। ৫ সেঞ্চুরিতে পেছনে ফেলেছেন মুশফিকুর রহিমকে। উইকেটরক্ষক মুশফিকের সেঞ্চুরি ৪টি।
শান্ত-মমিনুল আউটের পর শেষ বিকেলে আর কোনো উইকেট পড়তে দেননি মুশফিক-লিটন দাস। আগামীকাল ২ রানের সমীকরণ মেলাতে পারলে ক্যারিয়ারের ২৯তম ফিফটির দেখা পাবেন মুশফিক। তার ৪৮ রানের বিপরীতে ৮ রানে অপরাজিত আছেন লিটন। দিন শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৪ উইকেটে ৩০১ রান। পাকিস্তানের সালমান আলী আগা বাদে বাকি বোলাররা একটি করে উইকেট নিয়েছেন।










































