সংগৃহীত ছবি
খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের জলাতঙ্কের টিকা টাকা দিয়ে কেনার ঘটনা সরেজমিন দেখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন তিরস্কার করলেন হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম গাজীকে। এরপর তিনি সোজা চলে যান হাসপাতালের রান্নাঘরে।সেখানে রোগীদের জন্য তৈরি করা তরকারি মুখে নিয়ে ফেলে দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সুপারিনটেনডেন্টকে ভালো মানের তরকারি সরবরাহের নির্দেশ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের তরকারি আপনাদের বাসায় রান্না হলে কি খেতেন?’
বুধবার (১৯ মে) সকালে আকস্মিক খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নানা অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম দেখে ক্ষুব্ধ হন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত।
জেনারেল হাসপাতালের জলাতঙ্কের টিকা কর্নার পরিদর্শনে গেলে ভুক্তভোগীরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ঘিরে ধরেন।তারা মন্ত্রীকে জানান, হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় বাইরে থেকে কিনে দিতে হচ্ছে রোগীদের।
এ অবস্থা দেখে মন্ত্রী হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ককে ধমকান। জানতে চান কেন এই পরিস্থিতি। জবাবে তত্ত্বাবধায়ক রফিকুল ইসলাম গাজী বলেন, ‘সরবরাহ না থাকার কারণে সমস্যা তৈরি হয়েছে।’
ঘটনাস্থল থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকায় ফোন করে জানতে পারেন ভ্যাকসিন আনার জন্য কোন ধরনের যোগাযোগ করেননি তত্ত্বাবধায়ক। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ মন্ত্রী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান সাংবাদিকদের। রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করার কারণেও ক্ষুব্ধ হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, বুধবার সকাল ৬টায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ ও ওটি রুমে আগুন লাগে।এ সময়ে আতঙ্কে হুড়াহুড়ি করে নামতে অনেক রোগী ও তাদের স্বজনরা আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।









































