দেউলিয়াত্ব থেকে বাঁচতে জার্সিতে হাজারো স্পনসর

হাজারো স্পনসর দিয়ে তৈরি পেরুর ক্লাব দেপোর্তিভোর জার্সি। ছবি : এক্স থেকে

বিশ্বকাপে খেলোয়াড় খেলতে দিয়ে কাড়ি কাড়ি টাকা আয় করেছে বার্সেলোনা-ম্যানচেস্টার সিটির মতো ক্লাবরা। এমন রমরমা মুহূর্তেই পেরুর এক ক্লাবের দেউলিয়াত্ব থেকে বাঁচার গল্প সামনে এসেছে।

অর্থের সংকটে দেউলিয়াত্ব হওয়ার পথে ছিল পেরুর ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব দেপোর্তিভো মিউনিসিপাল। ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ক্লাবটি পেরুর সবচেয়ে পুরাতনদের মধ্যে একটি। দীর্ঘ ইতিহাসসমৃদ্ধ ক্লাবটিই ৭০ বছরের বেশি সময় দেশটির শীর্ষ লিগে খেলেছে। বর্তমানে তৃতীয় বিভাগে খেলছে তারা।

অবনমন অন্য জায়গাতেও হয়েছে দেপোর্তিভোর। এতটাই যে স্পনসর না পাওয়ায় দেউলিয়াত্বর পথে ছিল পেরুর সবচেয়ে পুরনো ক্লাবটি। নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রাখতেই অভিনব পথ বেছে নিয়েছে তারা।

সাধারণত জার্সিতে দুই-তিনটা থাকলেও দেপোর্তিভোতে হাজারো স্পনসর।সামনের দিকের লাল স্যাশের ওপর-নিচ দুদিকের জায়গায় কালো-সাদা রংয়ে ছোট বর্গক্ষেত্র তৈরি করেছে। সেই বর্গক্ষেত্রে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭৩৮৮ টাকায় (২০০ পেরুভিয়ান সোলস) স্থানীয় ছোট দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সমর্থকদের বিজ্ঞাপন দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে, বড় কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠানের পেছনে না ছুটে।

এই অভিনব প্রচারণার নাম দিয়েছে—‘দ্য থাউজেন্ড স্পনসর অব মুনি’। বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া অর্থেই দেউলিয়া থেকে নিজেদের বাঁচিয়েছে দেপোর্তিভো। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করে আন্তর্জাতিক সম্মাননা জুটছে তাদের কপালে।বিজ্ঞাপন জগতের অন্যতম সেরা সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত কান লায়নস ফেস্টিভ্যাল অব ক্রিয়েটিভিটিতে মর্যাদপূর্ণ গ্র্যান্ড প্রিক্স পুরস্কার জিতেছে তারা। সৃজনশীলনতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে দেপোর্তিভো।

LEAVE A REPLY