অবশেষে ইউরোপ সেরার টুর্নামেন্ট উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার টিকিট নিশ্চিত করল ফেনারবাচে। ফরাসি ক্লাব অলিম্পিক লিওঁকে ২-১ গোলে হারিয়ে দীর্ঘ ১৭ মৌসুম পর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে তুরস্কের ক্লাবটি। বুধবার রাতে প্রতিপক্ষের মাঠে এই জয় তুলে নেয় তারা। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ গোলের অগ্রগামিতায় ইউরোপের অভিজাত ক্লাব প্রতিযোগিতায় ফিরল তুর্কি জায়ান্টরা। এর আগে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত প্রথম লেগের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল।
সর্বশেষ ২০০৮-০৯ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে খেলেছিল ফেনারবাচে। ২০১০-১১ মৌসুমে ঘরোয়া সুপার লিগ শিরোপা জিতলেও ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ সংক্রান্ত তদন্তের কারণে ক্লাবটিকে দুই মৌসুমের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল উয়েফা। পরবর্তীতে পুনর্বিচারে ক্লাবটি এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট আজিজ ইলদিরিম নির্দোষ প্রমাণিত হন।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। ম্যাচের ২৪তম মিনিটে লিড নেয় ফেনারবাচে। ওগুজ আইদিনের ক্রস থেকে ভেদাত মুরিকির প্রথম হেড প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক ডমিনিক গ্রিফ রুখে দিলেও ফিরতি শটে বল জালে পাঠান কসোভোর এই ফরোয়ার্ড। এর চার মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করে সফরকারীরা। ২৮তম মিনিটে ম্যাসন গ্রিনউডের কর্নার থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন ডিফেন্ডার আর্চি ব্রাউন।
দুই গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া লিওঁ দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ম্যাচের ৬১তম মিনিটে এইনসলে মেটল্যান্ড-নাইলসের পাসে ব্যবধান কমান ফরাসি ফরোয়ার্ড মালিক ফোফানা।
ম্যাচের ৬৪তম মিনিটে লুইস ওপেন্দা এবং ৭১তম মিনিটে কাইল বুদাচে বল জালে জড়ালেও ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) সহায়তায় দুটি গোলই বাতিল করেন রেফারি। ওপেন্দার গোলটি অফসাইড এবং বুদাচের গোলের সময় ফাউলের কারণে বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের মূল পর্ব নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে ফেনারবাচে।










































