সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েলের সাবেক মন্ত্রী ও জাতিসংঘে সাবেক রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদানকে লিকুদ পার্টি থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইসরায়েল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সপ্তাহান্তে লিকুদ আন্দোলনের মহাপরিচালক ডেভিড শারানকে এরদানকে দল থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন নেতানিয়াহু। এর মাত্র কয়েক দিন আগে আসন্ন নেসেট নির্বাচনে তার স্বতন্ত্র দল ‘ইউনিটি’ নির্বাচনী বাধা পেরোতে পারবে না—এমন সিদ্ধান্তে দলটি বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন এরদান।
রাজনৈতিক সূত্রগুলো নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপকে এরদানের প্রতি ‘চূড়ান্ত আঘাত’ হিসেবে দেখছে। জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব শেষে ইসরায়েলে ফেরার পর থেকেই একের পর এক রাজনৈতিক ধাক্কার মুখে পড়েছেন এরদান।
ইসরায়েলে ফেরার পর নেতানিয়াহু তাকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান পদে এরদানের সম্ভাব্য নিয়োগেও আপত্তি জানান তিনি। আসন্ন নির্বাচনে লিকুদের নেসেট প্রার্থী তালিকায়ও এরদানের জন্য কোনো আসন সংরক্ষণ করা হয়নি। ফলে তিনি ‘ইউনিটি’র নেতৃত্বে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
তবে সেই উদ্যোগও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। নির্বাচনী বাধা অতিক্রমের সম্ভাবনা না থাকায় সপ্তাহান্তে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। একসময় লিকুদের প্রাথমিক নির্বাচনে অন্যতম জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে পরিচিত এরদান এবার দলেও ফিরতে পারছেন না। নেতানিয়াহুর নির্দেশে তাকে লিকুদ থেকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক সূত্রগুলোর ধারণা, এরদানের প্রতি নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত ক্ষোভও এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।কারণ, নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্ত শুরু হওয়ার সময় এরদান দেশটির জননিরাপত্তামন্ত্রী ছিলেন।










































