মাঠের বাইরেও নজর কাড়ছে আর্জেন্টাইন তারকা পাজের ইতালিয়ান ক্লাব কোমো

ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে ইতালিয়ান লিগে নজর কেড়েছে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগে সুযোগ পাওয়া কোমো ১৯০৭। সিরি বি থেকে সিরি এ-তে উঠে আসে বছর দুয়েক আগে।স্প্যানিশ সাবেক তারকা কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই পাল্টে যায় ক্লাবটি। ধারাবাহিক  পারফর্ম করতে শুরু করে। 

প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগে সুযোগ পেয়ে নড়েচড়ে বসে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তাদের জিউসেপ্পে সিনিগাগলিয়া স্টেডিয়ামে দর্শক সংখ্যা মোটে সাড়ে ১৩ হাজার।তবু তারা এই স্টেডিয়ামেই খেলতে চেয়েছিল চ্যাম্পিয়নস লিগ। উয়েফার থেকে অনুমতি চলে এসেছে। এবার সাজসজ্জার পালা।

মাঠের ভিতরে যেমন, মাঠের বাইরেও উদাহরণ তৈরি করছে কোমো।খেলে যেমন চ্যাম্পিয়নস লিগের যোগ্যতা অর্জন করেছে তারা, তেমনই আতিথেয়তায় অন্য নজির গড়ে তোলার লক্ষ্য ক্লাব কর্তাদের।

ইতালির বিখ্যাত ট্যুরিস্ট স্পট কোমো লেক। এই লেককে ঘিরেই উৎসবের মেজাজ এবার তৈরি করছে কোমো ১৯০৭ ক্লাবটি।

এমনিতেই কোমোর হোম ম্যাচ মানেই উৎসবের মেজাজ লেকের ধারে। ক্লাবের পক্ষ থেকেই চার-পাঁচ রকমের প্যাকেজ অফার করা হয়।কোনো প্যাকেজে ভিআইপি বক্সে বসা, খাওয়া, তার সঙ্গে হ্রদে ভ্রমণ, অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস। কোনো প্যাকেজে শুধুই বোটিংয়ের মাধ্যমে লেকের ধারে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানো। ম্যাচের টিকিট তো থাকছেই। ২৮০ ইউরো থেকে ৪০০ ইউরোর মধ্যে এ রকম নানা প্যাকেজ চালু আছে। ম্যাচের আগের দিন এর বেশিরভাগই দেখাবে ‘সোল্ড আউট’। 

এই সুবিধা এতদিন পাচ্ছিলেন সিরি এ-র ক্লাবের সমর্থকরাই। এ বার চ্যাম্পিয়নস লিগের দৌলতে ইউরোপের অন্য শহর থেকেও ফুটবল-ট্যুরিস্টের আশায় কোমো। এবার লিগ পর্যায়ে কোমোয় খেলতে যাবে লাইপজ়িগ, এ-ই-কে আথেন্স, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও পিএসজি।

LEAVE A REPLY