সংগৃহীত ছবি
কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় বানানো একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে যুদ্ধ প্রায় বাধিয়ে দিয়েছিল। ঘটনাটি এ বছরের শুরুর দিকের।শুক্রবার সিএনএন’এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এআইয়ের সহায়তায় তৈরি করা একটি ত্রুটিপূর্ণ গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী একটি চীনা জাহাজে প্রায় চড়াও হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।
এই ঘটনার সাথে পরিচিত চারজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে জাহাজটি পারমাণবিক অস্ত্রের সাথে সম্পর্কিত উপাদান বহন করছে। যার ফলে আমেরিকান বাহিনী সেটিকে পথিমধ্যে আটক করার প্রস্তুতি নিয়েছিল।
তবে কর্মকর্তারা যখন নিশ্চিত হন যে, একজন বিশ্লেষকের ব্যবহৃত একটি এআই চ্যাটবট জাহাজটিতে থাকা মালামাল ভুলভাবে শনাক্ত করেছিল, তখন এই অভিযানটি বাতিল করা হয়।সিএনএন একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে এটি প্রায় একটি যুদ্ধ বাধিয়ে দিচ্ছিল।
প্রতিবেদনে জাহাজটি আসলে কী বহন করছিল বা এটি কোথায় যাচ্ছিল, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান বাহিনীর দায়িত্বে থাকা ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড এই ঘটনার বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।
চলতি মাসের শুরুর দিকে শীর্ষস্থানীয় এআই প্রতিষ্ঠান ‘অ্যানথ্রোপিক’-এর একজন গবেষক এই প্রযুক্তি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে—এমন আশঙ্কায় জনসমক্ষে পদত্যাগ করার পর যে হৈচৈ সৃষ্টি হয়েছিল, তার পরপরই সিএনএন-এর এই প্রতিবেদনটি সামনে এলো।
অ্যানথ্রোপিকের আরেকজন কর্মী, যিনি পদত্যাগ করেননি, তিনি প্রকাশ্যে বলেন, ‘আমরা সত্যিই আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি যে এআই সব মানুষকে মেরে ফেলতে পারে।’ তিনি মনে করেন আগামী এক দশকের মধ্যে এর আশঙ্কা ১০ শতাংশের চেয়েও বেশি।
এসব সতর্কতা সত্ত্বেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার কিছু প্রধান সহযোগী আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশকে ব্যাপকভাবে সীমিত করার তীব্র বিরোধিতা করেছেন।










































