রয়টার্স ছবি
ইসরায়েলে মঙ্গলবার দিনের শুরু থেকে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্য দিয়ে গত ৪৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটদানের হার দেখা গেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুদ্ধকালীন নেতৃত্বের মূল্যায়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে এই নির্বাচনকে।অনেক ভোটারের মতে, ইসরায়েলের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে হামলার পর এটিই ইসরায়েলের প্রথম নির্বাচন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ওই দিনের ক্ষত এবং পরবর্তী সময়ে গাজা, লেবানন ও ইরানে সংঘাতের প্রভাব ভোটারদের মধ্যে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের নীতি ইসরায়েলের অভ্যন্তরে বিভাজন বাড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশটিকে আরো বিচ্ছিন্ন করেছে।তবে নেতানিয়াহু তার কর্মকাণ্ডের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের শত্রুদের মোকাবিলা করার সক্ষমতা একমাত্র তারই রয়েছে।
ইসরায়েলের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা নেতা নেতানিয়াহু ১৯ বছর ধরে দেশটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা কাটিয়ে টিকে থাকার ক্ষেত্রে তার সুনাম রয়েছে এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতি দেশটিতে ক্রমেই প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। ইসরায়েলের খণ্ডিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার কারণে ডানপন্থী, উগ্র ডানপন্থী ও কট্টর অর্থোডক্স দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত তার জোটকে ক্ষমতা থেকে সরানো বিরোধীদের জন্য কঠিন।
নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক সেনাপ্রধান ও নিরাপত্তা বিষয়ে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত গাদি আইজেনকট। ডান ও মধ্যপন্থী দলগুলোর পাশাপাশি ক্রমেই প্রান্তিক হয়ে পড়া বামপন্থীদের অবশিষ্ট অংশের সমর্থন নিয়ে তিনি নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চান। জনমত জরিপে দুই পক্ষের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে কার পক্ষে সরকার গঠন সহজ হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৭টায় ইসরায়েলে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত। দেশটিতে এবার ভোটার প্রায় ৭৩ লাখ। নেসেটের ১২০ আসনে ভোট হচ্ছে। এতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ৬১টি আসনে জয় পেতে হবে।










































