সংগৃহীত ছবি
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে হেরে ব্রাজিলের বিদায়ের পর প্রথমবারের মতো মাঠে নেমেছিলেন নেইমার জুনিয়র। ক্লাব জার্সিতে ফিরে দারুণ এক পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান মহাতারকা।তবে জোড়া গোল সত্ত্বেও সান্তোসকে জয় এনে দিতে পারেননি তিনি। নাটকীয় ম্যাচে চ্যাপেকোয়েন্সের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করেছে সান্তোস। এই ড্রয়ে অবনমনের শঙ্কায় থাকা নেইমারের ক্লাব স্বস্তির এক পয়েন্ট ঘরে তুলতে পেরেছে।
পুরো ৯০ মিনিটই প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে আতঙ্ক ছড়িয়েছেন নেইমার।ম্যাচের পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, অন-টার্গেটে ৫টিসহ মোট ৯টি শট নেন তিনি। যার মধ্যে ২টি গিয়েছে জালে। মাঠজুড়ে তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, মোট ১০৩ বার বল স্পর্শ করেছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।
গোল করা ছাড়াও দলের আক্রমণভাগকে সচল রাখার মূল দায়িত্ব ছিল নেইমারের কাঁধেই।ম্যাচে ৬২টি পাসের মধ্যে ৪৮টি সফল পাস সম্পন্ন করেন তিনি, যার ৪৫টিই ছিল প্রতিপক্ষের অর্ধে। দুটি কি-পাস দেওয়ার পাশাপাশি আক্রমণের গতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন নিজে। পুরো ম্যাচে চারবার ফাউলের শিকার হওয়ার পরও জিতেছেন ৭টি ডুয়েল। এ দছাড়া বল রিকভারি ও প্রেস ব্যাক করে দলকে বারবার দ্রুত খেলায় ফিরিয়েছেন নেইমার।
বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের ধাক্কা সামলে ক্লাবের হয়ে এটিই ছিল নেইমারের প্রথম ম্যাচ।জাতীয় দলের হয়ে বড় হতাশার পর ক্লাবের হয়ে মাঠে ফিরে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।
চলতি মৌসুমে ব্রাজিলেরিও বেতানোতে ৯ ম্যাচে নেইমারের ঝুলিতে এখন ৬টি গোল ও ২টি অ্যাসিস্ট। ৭৭৬ মিনিট খেলে ১৯টি কি-পাস এবং ৩০টি শটের মধ্যে ১২টি অন-টার্গেটে রেখেছেন তিনি।










































