সংগৃহীত ছবি
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের নির্ভরশীল ব্যক্তি ও মুক্তিযোদ্ধাদের হেলথ কার্ড সংগ্রহে অনলাইন নিবন্ধন, প্রোফাইলের তথ্য হালনাগাদ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করার নির্দেশ দিয়েছে সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যাচাই শেষে প্রোফাইলের অবস্থা ‘ভেরিফায়েড’ হলে নির্ধারিত কক্ষ থেকে কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।রবিবার (১১ অক্টোবর) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হেলথ কার্ড পেতে প্রথমে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের এইচএসএমএস সফটওয়্যারে অনুমোদিত প্রোফাইলের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে। এরপর হেলথ কার্ডের নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রমাণক আপলোড করতে হবে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিচয় ও তথ্য যাচাই করে প্রোফাইলের অবস্থা ‘ভেরিফায়েড’ হিসেবে হালনাগাদ করার পর যেকোনো কর্মদিবসে হাসপাতালের নির্ধারিত কক্ষ থেকে হেলথ কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন রোগীদের নিবন্ধন সম্পূর্ণ অনলাইনে করতে হবে। এ জন্য হাসপাতালের ওয়েবসাইট [www.skh.gov.bd](https://www.skh.gov.bd)-এর ‘আমার প্রোফাইল’ অপশন ব্যবহার করতে হবে।
সরকারি কর্মচারী ও তাদের নির্ভরশীল ব্যক্তি, মুক্তিযোদ্ধা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর প্রয়োজনীয় প্রমাণক ও মূল কাগজপত্র নিয়ে হাসপাতালের ৪২৪ ও ৪২৫ নম্বর কক্ষে যোগাযোগ করতে হবে।সেখানে নিবন্ধন অনুমোদন করাতে হবে।
হাসপাতালের এইচএসএমএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার পর কোনো রোগী পরপর দুবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে অনুপস্থিত থাকলে এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিলের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা বাতিল না করলে তাঁর ইউজার আইডি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। ফলে ওই আইডি ব্যবহার করে নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যাবে না।
এ ছাড়া পরীক্ষার প্রতিবেদন দেখানোর জন্য প্রতিবেদন পাওয়ার তারিখ থেকে সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট কাউন্টার থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যাবে।
হেলথ কার্ড নিবন্ধন ও অনুমোদন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সহায়তার জন্য হাসপাতালের আইটি তথ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।









































