লাল কার্ড দেখার পর হতাশ হামজা। ছবি : এক্স থেকে
ম্যাচটা ড্রয়ের পথেই ছিল। কেননা অপেক্ষা ছিল শুধুই রেফারির শেষ বাঁশি বাজার।কিন্তু তখনই হৃদয় ভাঙল শেফিল্ড ইউনাইটেডের। ঘাতক হলেন ইবাউ অ্যাডামস।
৮৯ মিনিটে বক্সের মধ্যে থেকে গোলটি করেন অ্যাডামস। তাতে ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠে ছাড়ে পোর্টসমাউথ।এমন হারে হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক। হয়েছেও শেফিল্ড ইউনাইটেড।
তবে হতাশার সঙ্গে ক্ষোভও রয়েছে শেফিল্ডের। এই ক্ষুব্ধতার কারণ হামজা চৌধুরীকে দেখানো বিতর্কিত লাল কার্ড।বাংলাদেশি মিডফিল্ডার ৪৪ মিনিটে দুটি হলুদে লাল কার্ড না দেখলে ম্যাচের ফল ভিন্নও হতে পারত।
অর্ধেকের বেশি সময় ১০ জন নিয়েও যে লড়াই করেছে শেফিল্ড, তাতে সেটাই প্রমাণ করে। সঙ্গে ৫৮ মিনিট পর্যন্ত আবার ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল তারা। ম্যাচ শেষে তাই রেফারি অলিভার ল্যাংফোর্ডের ওপর ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন হামজা।১১ মিনিট পর পোর্টসমাউথের উইঙ্গার রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইনকে আবারও ফাউল করায় হলুদ দুটি হওয়ায় লাল কার্ড দেখেন তিনি। হামজাকে নাটমেগ করার সময় বাংলাদেশি মিডফিল্ডারের শরীরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়েন যান রায়ান। এই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন শেফিল্ডের কোচ।
ওয়াইল্ডার বলেছেন, ‘হামজা যাবে কোথায়? সে কি মিস্টার ক্লেপল (রেন্টাগোস্ট নাটকের চরিত্র) হুট করে অদৃশ্য হয়ে যাবে? মাঠজুড়েই এমন ঘটনা ঘটছে। স্যাম ম্যাককালামকে তিন-চারবার বাধা দেওয়া হয়েছে। হামজা আসলে কোথায় যাবে, সেটাই বুঝতে পারছি না। আমাকে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ হয়তো যা বলতে চাই, তা বলতে পারছি না। ম্যাচে শেষ মুহূর্তেও আমাদের দলের এক খেলোয়াড়কে বক্সে টেনে ধরা হয়, স্পষ্ট দেখা গেছে, জার্সি প্রায় খুলে আসার উপক্রম হয়েছিল।’
হামজাকে লাল কার্ড দেখানোর কথা ছিল না বলেও দাবি করেছেন ওয়াইল্ডার। কোচ বলেছেন, ‘কথা হচ্ছিল রেফারি তাকে লাল কার্ড দেখাবেন না। দেখলাম প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়েরা গিয়ে ভিড় করছে; সেটা গেমসম্যানশিপের অংশ হতেই পারে। মনে হচ্ছে, আমাদের প্রতি কিছুটা অবিচার করা হয়েছে।’
হামজা লাল কার্ড দেখার আগে ৪১ মিনিটে জ্যাক সোয়ানসোনের গোলে লিড নেয় পোর্টসমাউথ। তার মাঠ ছাড়ার পর ৫৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আদ্রিয়ান সেগেচিচ। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফেরে শেফিল্ড। ৫৯ মিনিটে দলের হয়ে প্রথম গোল করেন জাপেট তানগাঙ্গা। আর ৬৭ মিনিটে সমতা ফেরানো গোলটি করেন থমাস ক্যানন। বিপরীতে শেষ মুহূর্তে শেফিল্ডের হৃদয় ভাঙেন অ্যাডামস।









































