আমেরিকা ও ইরানের বিদ্যমান উত্তেজনা এখন এক জটিল মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে একদিকে রয়েছে সামরিক হামলার হুমকি এবং অন্যদিকে পর্দার অন্তরালের কূটনৈতিক আলোচনা।
এএনআই এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে হোয়াইট হাউসে সামরিক শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।এর পরপরই তিনি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে কথা বলেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, প্রেসিডেন্ট এখনো চূড়ান্ত কোনো সামরিক সিদ্ধান্ত নেননি এবং কূটনৈতিক পথ এখনো খোলা রয়েছে। সামরিক হুমকির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের কাছে একটি আলোচনার রূপরেখা পাঠিয়েছিল। ইরান এই পদক্ষেপকে ‘ইতিবাচক’ হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং তেহরানের মতে মার্কিন মনোভাব আগের চেয়ে নরম হয়েছে।সব ঠিক থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দোহা বা ইস্তাম্বুলে দুই দেশের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।
তবে আলোচনার এই উদ্যোগের মাঝেও দুই দেশের মধ্যে বাকযুদ্ধ থামেনি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সতর্ক করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইল কোনো আক্রমণ করলে তার চরম জবাব দেওয়া হবে। বিপরীতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করছেন যে ইরান মূলত চাপে পড়ে আলোচনায় বসতে বাধ্য হচ্ছে এবং এই সংঘাত খুব শীঘ্রই একটি সমাধানের দিকে যাচ্ছে।











































