আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
তিনি নিজে নীরব থাকলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সম্ভাব্য নতুন সভাপতি হিসেবে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নাম নানা জায়গায় বেশ জোরেশোরেই উচ্চারিত হচ্ছে। তা নিয়ে বাজার গরম হলেও এখন পর্যন্ত এর কোনো ভিত্তি নেই। কারণ বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়কের দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট প্রশাসনের সভাপতি হওয়ার কোনো সুযোগই নেই।
সভাপতি হতে হলে আগে তাঁকে বিসিবির পরিচালক হতে হবে।
পরিচালক হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো, সংস্থার কাউন্সিলর তথা ভোটার হওয়া। দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এবং আইসিসির চাকুরে আমিনুল কোনো ক্লাব, সংস্থা বা নানা কোটার অধীনে বিসিবির কাউন্সিলর নন যে চাইলেই তাঁকে বিসিবির পরিচালক করে আনা যাবে। ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল তাই আমিনুলের সভাপতি হওয়া নিয়ে প্রচারণায় বিস্মিত, `বুলবুল ভাইয়ের সাংবিধানিক কোনো সুযোগই নেই। আগে তো তাঁকে কাউন্সিলর হতে হবে।
তিনি কোনো জায়গারই কাউন্সিলর নন।’
তারপরও আমিনুলকে ঘিরে এমন প্রচারে তাঁর নিজেরও করণীয় আছে বলে মনে করেন দেবব্রত, `ওনার বিষয়টি জানা থাকার কথা। চুপ না থেকে বিষয়টি তাঁর নিজেরই পরিষ্কার করা উচিত।’ গত বছরের ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোটায় যে দু’জনকে পরিচালক বানিয়ে বিসিবিতে আনা হয়, তাঁদের মধ্যে পরে সভাপতি নির্বাচিত ফারুক আহমেদ সাবেক অধিনায়কদের কোটায় আগে থেকেই বিসিবির কাউন্সিলর।
তাঁর সঙ্গী নাজমুল আবেদীন ফাহিম বাংলাদেশ ক্রীড়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোটায় কাউন্সিলর। কাউন্সিলর হওয়ার কারণেই তাঁদের হুট করে এনএসসির কোটায় বিসিবিতে পরিচালক করে আনা গেছে। কিন্তু আমিনুলের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ নেই একদমই। এখানে বিসিবির গঠনতন্ত্রের ১৩ অনুচ্ছেদের ১৩.২ ধারার ৪ নাম্বার উপধারায় পরিষ্কার ভাবে উল্লেখিত আছে যে, ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্তৃক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাধারণ পরিষদের সকল কাউন্সিলর (ক্যাটাগরি-১, ক্যাটাগরি-২ ও ক্যাটাগরি-৩) সদস্যদের মধ্য হইতে মনোনীত।’
এই মুহূর্তে ঢাকায় অবস্থান করা আমিনুলের সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।










































