মাইজদীতে এক দিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ২৮৫ মিলিমিটার

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গত বুধবার রাত থেকে দেশজুড়েই বৃষ্টি ঝরছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি ঝরেছে নোয়াখালীর মাইজদীতে ২৮৫ মিলিমিটার। এ সময়ের মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ১৯৬ মিলিমিটার। 

শুক্রবার সকালের আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, নোয়াখালী ও ঢাকা ছাড়াও চাঁদপুরে ২৪২, কুমিল্লায় ১৭৯, ফরিদপুরে ১৭১ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ১৬৪, নারায়ণগঞ্জে ১৬১, মাদারীপুর ও পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ১৬০, বরিশালে ১৪১ মিলিমিটার, রাঙামাটিতে ১৪০, কিশোরগঞ্জের নিকলিতে ১৩১, গোপালগঞ্জে ১২৯, মানিকগঞ্জের আরিচায় ১১৯, বান্দরবানে ১১৩,  বগুড়ায় ১১২, নেত্রকোনায় ১০৪, ময়মনসিংহে ৯৫, কক্সবাজারে ৯৩, পটুয়াখালীতে ৯০, সিলেটে ৮৭, কক্সবাজরের আমবাগানে ৮১ ও কুতুবদিয়ায় ৭৯,  শ্রীমঙ্গলে ৭৪ ও বাগেরহাটের মোংলায় ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য স্থানেও কমবেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। 

এদিকে আগামী তিন দিন ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের সব বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

সৌদি আরবে আত্মহত্যা করছেন ২৪ শতাংশ প্রবাসী বাংলাদেশি, কারণ কী?

আবহাওয়া অফিস বলছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গতকালের সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘণীভূত হয়ে প্রথমে নিম্নচাপ তারপর গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছিল, এটি পরবর্তীতে উত্তর/উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে স্থলনিম্নচাপ আকারে টঙ্গাইল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তর/উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমী বায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে।

LEAVE A REPLY