৪ সেঞ্চুরিতে এনসিএলের প্রথম দিনটা ব্যাটারদের

চট্টগ্রামের হয়ে জোড়া সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন জয়-ইয়াসির। ছবি : বিসিবি

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) প্রথম দিনটা ব্যাটারদের। নতুন আসরের প্রথম দিনেই যে চার সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ব্যাটাররা। 

চার ব্যাটার হচ্ছেন—চট্টগ্রামের দুই ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয় ও ইয়াসির আলি রাব্বি, ঢাকার মার্শাল আইয়ুব এবং ময়মনসিংহের আরিফুল ইসলাম।

রাজশাহীর বিপক্ষে শুরুটা ভালো ছিল না চট্টগ্রামের।

শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৬৮ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা। তবে চতুর্থ উইকেটে ২২১ রানের জুটি গড়ে দলকে শুধু উদ্ধারই করেননি বড় সংগ্রহের ভিতও গড়ে দিয়েছেন জয়-ইয়াসির। এই জুটি গড়ার পথে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে পঞ্চম সেঞ্চুরি পেয়েছেন জয়। ১২৭ রানের ইনিংসটি সাজান ১৫ চার ২ ছক্কায়।

জয়ের পর সেঞ্চুরি পেয়েছেন ইয়াসিরও। ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরি পাওয়া এই ব্যাটার আউট হয়েছেন ১২৯ রানে। তার ইনিংসে ৬ ছক্কার বিপরীতে চার ১০টি। চট্টগ্রামের বড় সংগ্রহে ৭২ রানের ইনিংস খেলেছেন ইরফান শুক্কুর।

রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম।

বিপরীতে নিজেদের প্রথম ইনিংস খেলতে নেমে প্রথম দিন ধাক্কায় শেষ করেছে রাজশাহী। দলীয় ১ রানেই যে ২ উইকেট হারিয়ে বসেছে স্বাগতিকেরা। দুইটি উইকেটই নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ। আগামীকাল দিন শুরু করবেন রানের খাতা খুলতে না পারা রহিম আহমেদ ও অধিনায়ক সাব্বির হোসাইন।

খুলনায় প্রথম দিন শেষে জোড়া ফিফটিতে ৯ উইকেটে ৩১২ রান করেছে স্বাগতিকেরা। বরিশালের বিপক্ষে ফিফটি পেয়েছেন খুলনার দুই ব্যাটার জিয়াউর রহমান ও শেখ পারভেজ জীবন। অধিনায়ক জিয়ার ৬৯ রানের বিপরীতে ৭২ রানে অপরাজিত আছেন জীবন। বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন রুয়েল মিয়া ও মঈন খান। 

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ২২১ রানে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেছে ঢাকা। যার মধ্যে ১০৫ রানই করেছেন মার্শাল আইয়ুব। এ ছাড়া ৭১ রানের ইনিংস খেলেছেন জিশান আলম। রংপুরের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন আবু হাশিম।

নিজেদের ইনিংস খেলতে নেমে ২ উইকেটে ৬৫ রানে দিন শেষ করেছে রংপুর। ৩৩ রান করা ওপেনার আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আগামীকাল সঙ্গ দেবেন রানের খাতা খুলতে না পারা হাশিম।

অন্যদিকে প্রথমবারের মতো আজ এনসিএলে অভিষেক হয়েছে ময়মনসিংহের। অভিষেক ইনিংসের শুরুটা ভালো না হলেও ময়মনসিংহ দিন শেষ করেছে ৭ উইকেটে ২৬৮ রানে। দলীয় ২১ রানে ৩ উইকেট হারানো দলকে এই সংগ্রহ এনে দিয়েছেন আব্দুল মজিদ ও আরিফুল ইসলাম। দুজনে মিলে চতুর্থ উইকেটে ১২৭ রানের জুটি গড়ে।

ব্যক্তিগত ৬৫ রানে মজিদ রান আউটের কাটা পড়লেও সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন আরিফুল। সেঞ্চুরি করার পরেই অবশ্য ফিরেছেন তিনি। ১০১ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১০ চারে। তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেছেন তাহজিবুল ইসলাম।

আগামীকাল দ্বিতীয় দিন শুরু করবেন আবু হায়দার রনি ও শহীদুল ইসলাম। রনির ১৬ রানের বিপরীতে ১০ রানে অপরাজিত আছেন শহীদুল। সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেওয়া খালেদ আহমেদের বিপরীতে ২ উইকেট নিয়েছেন আসাদুল্লা আল গালিব।

LEAVE A REPLY