দক্ষিণ নাইজেরিয়ার রিভার্স স্টেটে পাইপলাইন থেকে বেআইনিভাবে তেল তোলার সময় নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করে ৩৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। একটি পরিবেশবাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হলেও কর্তৃপক্ষ এখনো মৃতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করেনি।
স্থানীয় ‘ইয়ুথস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাডভোকেসি সেন্টার’ জানায়, বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ওক্রিকার ওকারি জেটিতে একটি জাহাজে মালামাল নেওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। সন্দেহভাজন চোরেরা পাইপলাইন থেকে উচ্চ চাপে পেট্রোলিয়াম পণ্য নৌকায় পাচার করছিল, তখনই সেখান থেকে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে। সংগঠনটি আরো জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন এবং নদীতে কয়েকটি মৃতদেহ ভাসতে দেখা গেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর নাইজার ডেল্টা অঞ্চলে তেল চুরিকে কেন্দ্র করে এটিই সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা।
রিভার্স পুলিশের মুখপাত্র ব্লেসিং কাবোরলো আগাবে জানান, অপরিশোধিত তেল চুরির চেষ্টাকালেই ভুক্তভোগীদের মৃত্যু হয়েছে। প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। অন্যদিকে, নাইজেরিয়া নিরাপত্তা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, প্রচারিত হতাহতের সংখ্যা এখনো পুরোপুরি যাচাই করা হয়নি। ঘটনাটিতে কোন অপরাধমূলক যোগসাজশ বা অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সাথে যৌথভাবে কাজ চলছে।
নাইজার ডেল্টায় অপরিশোধিত তেল চুরি ও পাইপলাইন ভাঙচুর দীর্ঘদিন ধরে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবৈধ কার্যক্রমের কারণে একদিকে যেমন দেশের তেল শিল্প ও অর্থনীতির ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে বড় ধরনের পরিবেশ দূষণ ও প্রতিনিয়ত মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।











































