ছবি: আনাদোলু এজেন্সি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার কানাডার আকাশসীমা দিয়ে ভ্রমণ করবেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে কানাডা। নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ।
সিটিভি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আনন্দ। তিনি জানান, নেতানিয়াহুর সম্ভাব্য আকাশপথ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে তিনি তার দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছেন। জাতিসংঘে যাওয়ার আগে এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য ছিল না বলেও জানান তিনি। তবে কানাডা নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিবেচনা করে কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি আনন্দ।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মান করা এবং গাজা, ফিলিস্তিন ও পশ্চিম তীরের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা কানাডার অবস্থান। মানবতাবিরোধী অপরাধের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। গত অক্টোবর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছিলেন, নেতানিয়াহু কানাডায় প্রবেশ করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
কানাডার নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় বিমানে ভ্রমণকারী কোনো বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশের অন্তত তিন কার্যদিবস আগে অটোয়ার কাছে কূটনৈতিক ছাড়পত্রের আবেদন করতে হয়।
২০২৪ সালের নভেম্বরে আইসিসি নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। আদালত বলেছিল, গাজায় কথিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তাদের ফৌজদারি দায় রয়েছে—এমন বিশ্বাস করার মতো ‘যুক্তিসঙ্গত কারণ’ রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার জন্য নেতানিয়াহুর নিউইয়র্ক সফরের কথা রয়েছে।










































