প্রতীকী ছবি
আইপিএলে ম্যাচ ফিক্সিং ও দলের সম্ভাব্য একাদশের গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় ভারতীয় ক্রিকেট।
একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে চেন্নাই সুপার কিংসের এক খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে ২০২৫ আইপিএলে ম্যাচের আগে একাদশের তথ্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।বিষয়টি নিয়ে তদন্তের কথা জানিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
চেন্নাই সুপার কিংসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সামনে আমাদের বার্ষিক সাধারণ সভা। এর আগে বোর্ড সভা হবে। সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে।এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।’ চেন্নাই কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে, দুর্নীতির বিষয়ে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।
অভিযোগের সূত্র হিসেবে উঠে এসেছে সাবেক ঘরোয়া ক্রিকেটার রাচিত ভাটিয়ার নাম। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চেন্নাই সুপার কিংসের এক খেলোয়াড়ের কাছ থেকে পাওয়া একাদশের তথ্য লন্ডনের জুয়াড়িদের কাছে পৌঁছাত।সেখানে প্রতি ম্যাচে ৬০ লাখ রুপি এবং পাঁচ ম্যাচে মোট প্রায় ৩ কোটি রুপি লেনদেনের দাবি করা হয়েছে। এসব দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
এদিকে আলোচনায় আসা সাবেক চেন্নাই সুপার কিংস ক্রিকেটার বংশ বেদী অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, রাচিত ভাটিয়া যে ব্যক্তির কথা বলেছেন, আমি সেই ব্যক্তি নই। এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা নেই।’
বেদী আরো বলেছেন, ‘আমাকে এসব অভিযোগের সঙ্গে মিথ্যাভাবে জড়ানোর চেষ্টা মানহানিকর। আমার আইনজীবীরা দোষীদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’
ফিক্সিং বিতর্কে চেন্নাই সুপার কিংসের নাম জড়ানো নতুন নয়। ২০১৩ আইপিএলে দলটির কর্মকর্তা গুরুনাথ মেইয়াপ্পনের বাজি সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড তদন্ত শুরু করে।
তদন্তে ফিক্সিংয়ের প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৫ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত লোধা কমিটি চেন্নাই সুপার কিংসকে দুই বছরের জন্য আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ করে। একইসঙ্গে মেইয়াপ্পনকে ক্রিকেট সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়।










































