২০০৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল ফারাহ খান পরিচালিত ‘ম্যায় হুঁ না’। শাহরুখ খান, সুস্মিতা সেন, জায়েদ খান ও অমৃতা রাও অভিনীত সিনেমাটি সে সময় যেমন দর্শকের মন জয় করেছিল, দুই দশক পরও এর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি।বরং টেলিভিশনে সিনেমাটি প্রচার হলেই এখনো দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়। এবার সেই পুরোনো উন্মাদনাই যেন নতুন করে উসকে দিলেন খোদ পরিচালক ফারাহ খান।
‘ম্যায় হুঁ না’র সিক্যুয়াল তৈরির পরিকল্পনা কি সত্যিই করছেন ফারাহ? এমন প্রশ্নই এখন ঘুরছে বলিউডে। আর এর সূত্রপাত অভিনেতা অর্জুন কাপুরের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে।
সম্প্রতি একটি হোটেলের ঘরে বসে ‘ম্যায় হুঁ না’ দেখছিলেন অর্জুন। সিনেমাটির একটি অংশের ভিডিও ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘অলটাইম ফেভারিট।’ অর্থাৎ এটি তার সবসময়ের পছন্দের সিনেমা। শুধু প্রশংসা করেই থামেননি অর্জুন।ফারাহ খানকে ট্যাগ করে সিক্যুয়ালের আবদারও জানিয়েছেন তিনি।
অর্জুন লেখেন, ‘উই নিড আ সিক্যুয়াল অ্যাসাপ।’
অর্জুনের সেই পোস্টের জবাব দিতে গিয়ে যেন রহস্য আরও বাড়িয়ে দেন ফারাহ খান। তিনি লেখেন, ‘যদি কোনও কিছু অন্তর থেকে চাও… অর্জুন কাপুর, অনেক ভালোবাসি।’
ফারাহর এই উত্তরের পরই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।কারণ তার কথার সঙ্গে অনেকেই ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমার বহুল আলোচিত সংলাপের মিল খুঁজে পেয়েছেন ‘কেহতে হ্যায়, আগার কিসি চিজ কো দিল সে চাহো, তো পুরি কায়ানত উসসে তুমসে মিলানে কি কোশিশ মে লাগ যাতে হ্যায়।’
ফলে ফারাহর এই মন্তব্যকে নিছক মজার ছলে দেওয়া উত্তর হিসেবে দেখছেন না অনেকেই। বরং ‘ম্যায় হুঁ না’র দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে সম্ভাব্য পরিকল্পনার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন অনুরাগীরা। বিশেষ করে শাহরুখ খানের ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন কৌতূহল।
‘ম্যায় হুঁ না’ দিয়েই পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয়েছিল ফারাহ খানের। শাহরুখ খান, সুস্মিতা সেন, জায়েদ খান ও অমৃতা রাওকে নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি বক্স অফিসে সাফল্যের পাশাপাশি দর্শকের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সিনেমাটির গান, সংলাপ ও চরিত্রগুলো এখনো হিন্দি সিনেমাপ্রেমীদের নস্টালজিয়ার অংশ।
অনেক দিন ধরেই ‘ম্যায় হুঁ না’র সিক্যুয়াল নিয়ে বলিউডে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় কিস্তির ঘোষণা দেননি ফারাহ খান বা সিনেমাটির সংশ্লিষ্ট কেউ।
তাই অর্জুনের আবদারের জবাবে ফারহার এই রহস্যময় মন্তব্য সত্যিই নতুন সিনেমার ইঙ্গিত কি না, নাকি শুধুই ভক্তের আবেগে সাড়া—তার উত্তর মিলবে সময়ের সঙ্গে। তবে আপাতত একটি বিষয় নিশ্চিত, ফারাহর ওই এক মন্তব্যেই দুই দশক পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ‘ম্যায় হুঁ না’।










































