সংগৃহীত ছবি
জ্যাকব ডাফির দাপুটে বোলিংয়ে ভর করে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। নিজের মাত্র দ্বিতীয় টেস্টেই দলের হয়ে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ম্যাট হেনরি নিয়েছেন তিন উইকেট।
এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডের ২৩১ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ থামে মাত্র ১৬৭ রানে।
দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বিনা উইকেটে ৩২ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। এতে কিউইদের লিড দাঁড়িয়েছে ৯৬ রানে।
সকালের শুরুতেই নিউজিল্যান্ডের শেষ উইকেটটি তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর নিজেরা ব্যাট করতে নেমেই ধাক্কা খায় তারা।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জন ক্যাম্পবেলকে ফেরান জ্যাক ফোল্কস। ১২ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১০ রান তুলে দুই উইকেট হারিয়ে চাপের পাহাড়ে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
তারপর দলকে সামলে নেন শাই হোপ ও তেজনারিন চন্দরপল। ধীরগতির হলেও ম্যাচে ফেরার আশাই দেখাচ্ছিল তাদের ৯০ রানের জুটি।
হোপ চোখের সংক্রমণের কারণে সানগ্লাস পরে ব্যাট করে ফিফটি তুলে নেন। অন্যদিকে দুইবার জীবন পেয়ে চন্দরপলও পেয়ে যান অর্ধশতক। কিন্তু চাপ ভাঙেন ডাফি। শর্ট বলে কাবু করে হোপকে ফিরিয়ে ভাঙেন জমে ওঠা জুটি।
সেখান থেকে হেনরির আগুনঝরা বল।
একই ওভারে শূন্য রানে ফেরান রোস্টন চেজ ও জাস্টিন গ্রিভসকে।
এরপর চন্দরপলকে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সেটিও। ৫২ রান করে চন্দরপল আউট হন দুর্দান্ত ডাইভ দিয়ে নেওয়া ডেভন কনওয়ের ক্যাচে।
শেষদিকে আলোর স্বল্পতা ও হালকা বৃষ্টি খেলা থামালেও ফিরে এসে আবারও উইকেট নিতে থাকেন ডাফি। ইনিংসের শেষ চার উইকেটই তাঁর শিকার। ৫ উইকেট নিয়ে ৩৪ রান খরচে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা দিনটা স্মরণীয় করে রাখলেন তিনি।
দিনের শেষ সেশনটা কাটল নিউজিল্যান্ডের শান্ত ব্যাটিংয়ে। কনওয়ে (১৫*) ও লাথাম (১৪*) অপরাজিত থেকে দলকে এগিয়ে রাখেন শক্ত অবস্থানে।
দ্বিতীয় দিন শেষে
নিউজিল্যান্ড: ২৩১ (উইলিয়ামসন ৫২, ব্রেসওয়েল ৪৭) ও ৩২/০ (কনওয়ে ১৫*, লাথাম ১৪*)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৬৭ (হোপ ৫৬, চন্দরপল ৫২, ডাফি ৫-৩৪, হেনরি ৩-৪৩)
লিড: নিউজিল্যান্ড ৯৬ রান











































