গোলের পর পিএসজি ফরোয়ার্ড খভিচা কাভারাস্খেইয়ার উদযাপন। ছবি : রয়টার্স
টানা দুইবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরে লড়াই দারুণভাবে জমিয়ে তুলেছিল চেলচি। ম্যাচের শেষদিকে গোলরক্ষক ফিলিপ জর্গেনসেনের মারাত্মক ভুলে ভেঙে পড়ে চেলসি। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জোড়া গোল করে দলকে বড় ব্যবধানে এগিয়ে দেন পিএসজি ফরোয়ার্ড খভিচা কাভারাস্খেইয়া।
শেষ পর্যন্ত উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে চেলসিকে ৫-২ গোলে হারিয়ে নিজেদের কাজটা সহজ করে রাখল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি।
পার্ক দেস প্রিন্সেসে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল স্বাগতিকরা। ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যায় তারা। উসমান দেম্বেলের ক্রস থেকে বল পেয়ে জোরালো শটে গোল করেন ব্র্যাডলি বারকোলা।
এর কিছুক্ষণ পর দেম্বেলের শক্তিশালী শট পোস্টে ঠেকিয়ে দেন চেলসির গোলরক্ষক জর্গেনসেন।
এরপরই ম্যাচে সমতা ফেরায় চেলসি। এনজো ফার্নান্দেজের দারুণ পাস থেকে মালো গুস্তো গোল করে স্কোরলাইন ১-১ করেন।
সমতা ফেরার পর লিডে যেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি পিএসজিকে। চেলসি ফরোয়ার্ড কোল পালমারের শট ঠেকানোর পরই পাল্টা আক্রমণে গোল করেন উসমান দেম্বেলে।
ওয়েসলি ফোফানাকে পেছনে ফেলে নিখুঁত ফিনিশে দলকে আবারও এগিয়ে দেন তিনি।
এই গোলের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল দিজিরে দুয়ের। মাঝমাঠে ময়েসেস কাইসেদো ও ট্রেভো চালোবাহকে ধোঁকা দিয়ে দারুণ পাস বাড়ান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আবার ম্যাচে ফিরে আসে চেলসি। দুয়ের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে পেদ্রো নেতো নিচু ক্রস দেন, সেখানে দৌড়ে এসে বল জালে জড়ান এনজো ফার্নান্দেজ।
ফলে ম্যাচের স্কোর হয় ২-২।
এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। জর্গেনসেনের ভুল পাস সরাসরি চলে যায় বারকোলার পায়ে। সেই সুযোগে ভিতিনহা দূর থেকে দৃষ্টিনন্দন এক লব করে গোল করে পিএসজিকে আবার এগিয়ে দেন।
এরপরই মাঠে নেমে জাদু দেখান বদলি হিসেবে নামা কাভারাস্খেইয়া। বক্সের বাইরে থেকে দারুণ বাঁকানো শটে গোল করে ব্যবধান বাড়ান তিনি। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে সাইডফুট ফিনিশে নিজের দ্বিতীয় গোল করে পিএসজির বড় জয় নিশ্চিত করেন এই জর্জিয়ান তারকা।
এ জয়ের ফলে দুই লেগের লড়াইয়ে তিন গোলের বড় ব্যবধানে এগিয়ে গেল পিএসজি। এখন আগামী মঙ্গলবার স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে দ্বিতীয় লেগে ঘুরে দাঁড়াতে হলে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে চেলসিকে।










































