কেইনের সেলফিতে কোহলি। ছবি : এক্স থেকে
খেলেন ভালো কিন্তু জেতেন না—এমন এক কঠিন সময় পাড় করে এসেছেন হ্যারি কেইন। বছরের পর বছর গোল করার পরেও ব্যক্তিগত বা দলীয় কোনো মেজর ট্রফিই ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছিল না তার।
২০২৩ সালে কেইন ক্লাব বদলালে ভাগ্যদেবী মুখ তুলে তাকান। টটেনহাম থেকে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিয়ে জেতেন দলীয় ট্রফি। গতকাল জিতেছেন ব্যক্তিগত পুরস্কারের কাঙ্খিত ট্রফিটি। লিওনেল মেসি-ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো এখন তিনিই ব্যালন ডি’অর জয়ী।
ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতেছেন কেইন। এমন পর্যায়ে এসে স্বপ্ন পূরণ হওয়াটা কতটা বিশেষ সেটা ভালো করে জানেন বিরাট কোহলি। ক্রিকেটের প্রায় সবকিছু শিরোপা বা ট্রফির স্বাদ পাওয়া ভারতীয় কিংবদন্তিও তো ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে জিতেছেন আইপিএলের ট্রফি।
কঠোর পরিশ্রম ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পরও যখন সেরার স্বীকৃতি মেলে না তখনো নিজেকে সেরাদের কাতারে ধরে রাখা কতটা কষ্টসাধ্য সেটা ভালো করেই জানেন অ্যাথলেটরা।সেই দিকটা তুলে ধরেই কেইনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কোহলি। ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকারকে বন্ধু সম্বোধন করে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়েছেন ভারতীয় ব্যাটার।
ব্যালন ডি’র কেইনের প্রাপ্য ছিল বলে জানান কোহলি। ৩৭ বছর বয়সী ব্যাটার বলেছেন, ‘হ্যারি, বন্ধু, বছরের পর বছর সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবলে নিজের দৃঢ়তা, কঠোর পরিশ্রম আর সততার পরিচয় দিয়ে তুমি যেভাবে এগিয়ে গেছ, এই পুরস্কারের প্রতিটি সম্মানই তোমার প্রাপ্য। তোমার জন্য আমি সত্যিই আনন্দিত।ঈশ্বর তোমাকে ও তোমার পরিবারকে আশীর্বাদ করুন। এই দীর্ঘ পথচলা ও অর্জন নিয়ে তোমার পরিবার নিশ্চয়ই ভীষণ গর্বিত। তুমিও নিশ্চয়ই নিজের এই যাত্রা নিয়ে গর্বিত। সব সময় তোমার জন্য রইল আমার শুভকামনা। অভিনন্দন!’
২০১৯ সালে লর্ডসে প্রথম দেখা হয় দুই ক্রীড়ার দুই কিংবদন্তির। সাক্ষাতের কয়েক বছর আগ থেকেই অবশ্য কোহলি-কেইন একে-অপরের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে আসছেন। সেই সম্পর্ক এখন বন্ধুতে গড়িয়েছে।











































