ছবি : এআই জেনারেটেড
আজকাল ফিটনেস ও স্কিন কেয়ারের মতোই সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্পর্কবিষয়ক নানা পরামর্শ ও ‘রিলেশনশিপ ট্রেন্ড’ চোখে পড়ে। কিন্তু ইনস্টাগ্রাম রিল দেখে নিজের সঙ্গীকে ‘টক্সিক’ মনে করা বা প্রতিটি কনটেন্টকে সত্যি ধরে নিয়ে সঙ্গীকে বিচার করা সম্পর্কে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার ‘রিল’ আর জীবনের ‘রিয়েল’ অভিজ্ঞতার মধ্যে পার্থক্য বোঝা অত্যন্ত জরুরি।
অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ার সব কনটেন্টই ক্ষতিকর নয়। এর মাধ্যমে মানসিক নির্যাতন, সীমানা নির্ধারণ বা অশালীন আচরণ চেনার বিষয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। তবে অতিসাধারণ অনেক বিষয়কেও সোশ্যাল মিডিয়ায় জটিল করে দেখানো হয়।এ ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে থেরাপিস্টরা প্রধানত দুটি বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
১. ভিডিওতে ব্যবহৃত শব্দের সঙ্গে বাস্তব মেলানো যাবে না: ‘রেড ফ্ল্যাগ’, ‘টক্সিক’ বা ‘গ্যাসলাইটিং’-এর মতো শব্দগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব সহজে ব্যবহার করা হয়। বাস্তবে পরিস্থিতি অনেক বেশি জটিল বা ভিন্ন হতে পারে। কেউ একবার কোনো খারাপ আচরণ করলেই তাকে ‘টক্সিক’ ভেবে নেওয়া ভুল।বরং দেখতে হবে অপর প্রান্তের সঙ্গী নিজের ভুল বুঝতে পেরে শুধরে নিচ্ছেন কি না। মাত্র ৩০ সেকেন্ডের একটি রিল দেখে কারো মানসিক অবস্থা বিচার করা যুক্তিযুক্ত নয়।
২. শুধু মতবিরোধের কারণে সম্পর্ক ভাঙা যাবে না : যেকোনো সম্পর্কেই মতবিরোধ হওয়া স্বাভাবিক। মত অমিল হলেই সঙ্গীকে খারাপ মনে করে সম্পর্ক ভাঙা উচিত নয়। একটি সুস্থ সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো একে অন্যের কথা শোনা ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা।তবে মতবিরোধ যদি ধারাবাহিক অসম্মান বা ম্যানিপুলেশনের দিকে যায়, শুধু তখনই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবা দরকার।
সূত্র : এই সময়










































