খাবারের পুষ্টি ধরে রাখতে রান্না ও খাওয়ার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি

সংগৃহীত ছবি

প্লেট ভর্তি টাটকা সবজি, মাছ-মাংস আর মানসম্মত চাল—শরীরের পুষ্টি নিশ্চিতে উপকরণের কমতি রাখেন না অনেকেই। তবে কেবল বাজার ভালো হলেই কিন্তু খাবারের পূর্ণ গুণাগুণ শরীরে পৌঁছায় না।পুষ্টিবিদরা বলছেন, প্রাত্যহিক খাওয়ার অভ্যাসে ছোট কিছু ভুলের কারণে রান্নার ভিটামিন ও খনিজের বড় অংশই শোষিত হওয়ার আগেই নষ্ট হয়ে যায়। চলুন, জেনে নিই খাবারের সঠিক পুষ্টিমান বজায় রাখতে যে বিষয়গুলোতে সচেতন থাকা জরুরি।

উচ্চ তাপে লেবুর ব্যবহার : রান্নার সময় বা ধোঁয়া ওঠা গরম খাবারে লেবু চিপে দিলে উচ্চ তাপমাত্রায় এর ভিটামিন সি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। লেবুর গুণাগুণ পেতে খাবার কিছুটা ঠাণ্ডা হওয়ার পর তা মেশানো উচিত।

খাবার শেষেই চা-কফি : খাওয়ার পরপরই চা বা কফিতে চুমুক দেওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। তবে চা-কফিতে থাকা পলিফেনল খাবার থেকে শরীরে আয়রন শোষণে বাধা তৈরি করে। তাই খাওয়ার অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর চা বা কফি পান করাই শ্রেয়।

সবজি সেদ্ধ করা পানি ফেলে দেওয়া : সবজি সেদ্ধ করার পর সেই পানি ফেলে দিলে তার সঙ্গে বেশির ভাগ দ্রবণীয় পুষ্টি উপাদানও বেরিয়ে যায়।এই পানি ফেলে না দিয়ে তরকারির ঝোল, ডাল বা অন্য পদ তৈরিতে ব্যবহার করা বুদ্ধিমত্তার কাজ।

ছানার পানির পুষ্টি অবহেলা : ছানা তৈরির পর বাড়তি পানি ফেলে দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। অথচ এই পানিতে অ্যালবুমিন ও গ্লোবিউলিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন থাকে, যা পেশি গঠন ও প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এই পানি দিয়ে রুটির আটা মেখে নিলে পুষ্টি পুরোটাই বজায় থাকে।

বাদাম ও বীজ বাদ দেওয়া : অনেকে খাবার থেকে বাদাম বা বীজজাতীয় অংশ বেছে ফেলে দেন।এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট শরীরে ফ্যাটে দ্রবণীয় ভিটামিন শোষণে সাহায্য করে। ফলে এগুলো বাদ দিলে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের ঘাটতি থেকে যেতে পারে।

সূত্র : আনন্দবাজার

LEAVE A REPLY