সিঙ্গাপুরের কাছেও হেরেছে বাংলাদেশ। ছবি : এক্স থেকে
কথায় আছে—কর্নার মানে অর্ধেক গোল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক কর্নার পেলেও ‘সোনার হরিণ’ খ্যাত গোলের দেখা পেল না বাংলাদেশ।তাতে বাংলাদেশের নামের পাশে লেখা হলো আরেকটি হার।
সিঙ্গাপুরের কাছে আজ ১-০ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেছেন হারহিস স্টুয়ার্ট। আজকের আগে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের হার দিয়ে আসিয়ান কাপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ।
সবমিলিয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ৫ বারের দেখায় জয়হীন বাংলাদেশ। ৪ হারের বিপরীতে এক ড্র। ড্রটি এসেছে ১৯৭৩ সালে প্রথম দেখায় মারদেকা টুর্নামেন্টে।
জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই দুই দল বল পজিশন নিয়ে খেলার চেষ্টা করে।তবে গোল পাওয়ার মতো তেমন কোনো আক্রমণ করতে পারেনি তারা। ম্যাচে প্রথম কোনো ভালো আক্রমণ দেখা যায় ১৬ মিনিটে। মেহেদী হাসান শ্রাবণের দারুণ দক্ষতায় সে যাত্রায় বেঁচে যায় বাংলাদেশ। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ইলহান ফান্দির শট কর্নারের বিনিময়ে সেভ করেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক।
কুলিং বিরতির পর ম্যাচের ৩৩ মিনিটে এবার অবিশ্বাস্য এক সেভ দিয়েছেন শ্রাবণ।বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পেয়েছিল সিঙ্গাপুর। সেই ফ্রি কিক থেকেই সিঙ্গাপুরের এক খেলোয়াড় দারুণ শট নিয়েছিলেন তা ঝাঁপিয়ে পড়ে নিশ্চিত গোল বাঁচান শ্রাবণ। ফিরতি সুযোগ অবশ্য পেয়েছিল প্রতিপক্ষ। তবে এবার বিপদমুক্ত করেন তারিক কাজী।
সেই যাত্রায় বাঁচলেও ৩৫ মিনিটে নিজেদের জাল অক্ষত রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ডান দিক থেকে সতীর্থ নুর অ্যাডাম আব্দুল্লাহর বাড়ানো ক্রসে হেডে গোলটি করেন হারহিস স্টুয়ার্ট। এবার দাঁড়িয়ে থেকে শুধু বলকে জালে জড়াতে দেখলেন শ্রাবণ।
৬৪ মিনিটে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন শমিত শোম। ডান প্রান্ত থেকে সাদ উদ্দিনের ক্রসে হেডও নিলেন বাংলাদেশি মিডফিল্ডার। কিন্তু আনমার্কড থাকা শমিত হেডটা নিলেন গোলবারের ওপর দিয়ে।
৮০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ এসেছিল। এবার অল্পের জন্য রাকিবের হেড যায় বাইরে। ৮৫ মিনিটে দারুণ এক আক্রমণ সাজিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু বদলি নামা ফাহমিদুল ইসলাম বল দিতে পারলেন না প্রতিপক্ষের গোলবক্সে থাকা রাকিবকে। তার পাস আগেই বিপদমুক্ত করেন সিঙ্গাপুরের এক ডিফেন্ডার।
দ্বিতীয়ার্ধে ভালো খেলেও তাই লাভ হলো না বাংলাদেশের। ১-০ ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় জামাল ভূঁইয়া-হামজা চৌধুরীদের। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে।











































