নিজের অভিনীত যে ১১ সিনেমাকে সেরা মনে করেন পরেশ

সংগৃহীত ছবি

চার দশকের অভিনয়জীবনে ২৫০টিরও বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা পরেশ রাওয়াল। তবে নিজের অভিনীত সব সিনেমা নিয়ে সন্তুষ্ট নন এই অভিনেতা।তার মতে, এর মধ্যে মাত্র ১১টি সিনেমা ভালো হয়েছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা কাজগুলো নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

সম্প্রতি জাগরণ ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নিজের অভিনীত সিনেমা ‘পাস্ট টেন্স’-এর প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন পরেশ। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন ছেলে আদিত্য রাওয়াল, অনন্ত মহাদেবন, তন্নিষ্ঠা চ্যাটার্জি ও শরিব হাশমি।প্রদর্শনী শেষে দর্শকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের দীর্ঘ অভিনয়জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন অভিনেতা।

২৫০টির বেশি সিনেমায় অভিনয়ের পর কখনো সেগুলোর হিসাব রেখেছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে পরেশ বলেন, ‘না। ভালো সিনেমাগুলোর সংখ্যা আমার জানা আছে।’ এ সময় তিনি জানান, নিজের অভিনীত সিনেমার মধ্যে মাত্র ১১টিকে ভালো মনে করেন তিনি।তার ছেলে আদিত্য জানান, তারা দুজন মিলে সিনেমাগুলোর হিসাব করেছেন।

নিজের পছন্দের সিনেমার কথা বলতে গিয়ে ১৯৯৩ সালের ‘সর্দার’-এর কথা উল্লেখ করেন পরেশ। ছবিটিতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এ চরিত্রের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছিলেন বলে জানান অভিনেতা। ছবিটি তার হৃদয়ের খুব কাছের বলেও উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া ‘তামান্না’ (১৯৯৭), ‘ওয়ে লাকি! লাকি ওয়ে’ (২০০৮), ‘মুম্বাই মেরি জান’ (২০০৮), ‘দ্য স্টোরিটেলার’ (২০২৫), ‘হেরা ফেরি’ (২০০০) ও ‘ডাকাত’ (১৯৮৭) সিনেমার কথা বলেন তিনি। তবে ১১টি সিনেমার পুরো তালিকা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেননি পরেশ।

খলনায়ক চরিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেন অভিনেতা। নিজের পছন্দের খলনায়ক চরিত্র হিসেবে বেছে নেন ‘ডাকাত’ সিনেমার চরিত্রটিকে। তার মতে, খলনায়ককে এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত, যেন তাকে বাস্তব জীবনের পরিচিত কোনো মানুষ মনে হয়। কৃত্রিম সাজসজ্জা দিয়ে খলনায়ক তৈরি করার প্রবণতা তার পছন্দ নয়।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে দর্শকেরা ‘হেরা ফেরি’ সিনেমার জনপ্রিয় চরিত্র বাবুরাও গণপতরাও আপ্তের একটি সংলাপ শোনানোর অনুরোধ করেন। মজার ছলে পরেশ বলেন, ‘না, না। এর জন্য টিকিট কাটতে হবে।’

এদিকে ‘হেরা ফেরি ৩’ থেকে পরেশের সরে দাঁড়ানো নিয়েও আলোচনা চলছে। তার সিদ্ধান্তের পর ছবিটির প্রযোজক ও অভিনেতা অক্ষয় কুমার ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন বলে জানা যায়। পরে পরেশ জানান, অক্ষয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ নয়, বরং চুক্তিসংক্রান্ত বিষয়েই তার সিদ্ধান্তের কারণ। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে আইনি নোটিশকে ‘আবেগের প্রতিক্রিয়া’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

LEAVE A REPLY